মেইন ম্যেনু

কাঁচকলায় সারবে সব রোগ!

কলা অনেকের প্রিয় ফল হলেও কাঁচকলা কিন্তু সবাই পছন্দ করেন না। কাঁচকলা অনেকের কাছেই অখাদ্য। এ দারুণ বিস্বাদ খাবারটি মোটামুটি রোগীর পথ্য হিসাবেই সবার কাছে পরিচিত। সবজি হিসেবেও এটি স্বাস্থ্যকর সেটা আমরা সাবাই জানি। কলার মতো কাঁচকলাও ভিটামিন, মিনারেলসহ আরও অনেক পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ।

শুধু তাই নয় বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও একমাত্র কাঁচকলার মধ্যে রয়েছে সব রোগের ওষুধ!

আসুন বিস্তারিত জেনে নেই-

* ওজন কমাতে চাইলে, খাদ্য তালিকায় কাঁচকলা রাখুন। কাঁচকলার ফাইবার অনেকটা সময় পেট ভরিয়ে রাখে। এটি আঁশযুক্ত হওয়ায় তা মেদ কমাতেও সাহায্য করে।

* রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্যেও কাঁচকলা উপকারী। এটি আঁশযুক্ত হওয়ায় রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ভিটামিন বি-৬ গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে টাইপ-টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

* কাঁচকলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, প্রতিদিন ৪,৭০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম গ্রহণে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস হয়। তবে পটাসিয়াম সবার জন্য নিরাপদ নয়। উচ্চ রক্তচাপ অথবা কিডনির রোগে আক্রান্ত রোগীদের পক্ষে তাই কাঁচকলা খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত।

* কাঁচকলা আঁশযুক্ত সবজি হওয়ায় এটি খুব সহজে হজম হয়। কাঁচকলা পেটের ভিতরের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। তবে অতিরিক্ত পেট ফোলার সমস্যা থাকলে কাঁচকলা না খাওয়াই ভাল। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যাও অনেক সময়ে বাড়িয়ে দেয়।

* কাঁচকলা কোলন থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া, জীবাণু এবং ইনফেকশন দূর করে কোলনকে সুস্থ রাখে। দীর্ঘমেয়াদী কোলন সংক্রান্ত রোগ দূর করতে কাঁচকলা বেশ কার্যকরী।

* কাঁচকলায় থাকে এনজাইম, যা ডায়রিয়া এবং পেটের নানা ইনফেকশন দূর করে। তাই ডায়রিয়া হলে চিকিৎসকরা কাঁচকলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

* উচ্চ ভিটামিন বি-৬ এর উৎস কাঁচকলা। ভিটামিন বি-৬ রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যা রক্তে অক্সিজেন পরিবহন করে। এছাড়া ভিটামিন বি-৪ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।






মন্তব্য চালু নেই