মেইন ম্যেনু

কাঁচাবাজারে ঈদের রেশ কাটেনি

ঈদ উদযাপিত হয়েছে চারদিন হলো। কিন্তু ঈদের রেশ কাটেনি রাজধানীর কাঁচাবাজারে। নতুন করে পণ্যের দাম না বাড়লেও এখনো ঈদের আগের মতো বাজার চড়া। বিক্রেতারা বলছেন, ঈদ শেষে এখনো বাজারে পণ্যের আমদানি স্বাভাবিক হয়নি। তাই দামেও তেমন পরিবর্তন আসেনি।

ঈদের চারদিন পর আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কমলাপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে- বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম। বেশিরভাগ দোকান বন্ধ। খুচরা বাজারে বেগুন আকারভেদে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মুলা, ঢেঁড়স, কাররোল, করলা ও বরবটি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, পটল ৬০, লালশাক প্রতি আঁটি ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা দরে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, রসুন ৯০ টাকা, আলু প্রতি কেজি ২৪-২৫ টাকা এবং আদা ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে আমদানি কম। সেই সুযোগে বিক্রেতারা দামও হাকাচ্ছেন। এদিন কৈ ২০০-২২০ টাকা, তেলাপিয়া বড় ২৬০, সরপুঁটি ৩০০, চিংড়ি ৫৫০-৯০০ টাকা, রুই ২০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৩০ থেকে ১৪৫ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২৪০ ও লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ঈদ গেলেও সবজির দাম কমেনি কেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে খুচরা সবজি বিক্রেতা মো. সাত্তার আলী  বলেন, ‘ঈদ ভাঙা বাজারে মালামাল আমদানি কম, কাস্টমারও কম। তাই দাম একটু বেশি।’

তিনি বলেন, কোরবানির সময় এমনিতেই কয়েকদিন সবজির চাহিদা ও বিক্রি কম থাকে। তাই বিক্রেতারা বাড়তি সবজি আনতে আগ্রহী হচ্ছে না।

সপ্তাহখানেকের মধ্যে সবজির দাম কমতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। একই বাজারের ক্রেতা আহমেদ হোসেন বলেন, ‘রোজার মাসে দোকানদাররা সব পণ্যে ডাকাতি করেছে। কোরবানির আগে মসলা বিক্রিতেও ক্রেতাদের গলা কেটেছে। এখন ঈদ শেষ হলেও কোনো কিছুরই দাম কমেনি।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কোনো ঈদেই কর্তৃপক্ষ মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না। আর এখন কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপ করবে বলে মনে হয় না। যখন বিক্রেতাদের মন চাইবে দাম কমাবে, আর না হলে যে দামেই হোক আমাদের তো খেতেই হবে।’






মন্তব্য চালু নেই