মেইন ম্যেনু

কাঁচামরিচের কেজি দুশো টাকা

ঈদের ছুটি শেষ হলেও রাজধানী ঢাকা এখনো তার আগের রূপে ফিরে আসেনি। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁক-ডাকে জমজমাট হয়নি এখনো বাজারগুলো। আর বাজারের ফাঁকা ফাঁকা এই অবস্থানে পণ্যের দাম হয়েছে আকাশচুম্বী। শুক্রবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, স্বামীবাগ, কাপ্তানবাজার, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকায়।

ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, ঈদের আমেজ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। ছুটিতে আমদানি কমেছে এবং পাইকারী বাজারের সব মোকাম এখন খোলেনি। এ কারণে পন্যের দাম একটু বাড়তি।

যাত্রাবাড়ী, স্বামীবাগ, কাপ্তানবাজার, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর বাজারে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়, গাজর ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, শশা ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, করলা ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকায়, ঝিঙ্গা ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, সাদা গোলাকার বেগুন ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়, বেগুন ৫০ টাকায়, পটল ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, কাকরল ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, ঢেড়স ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, ওস্তা ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়, চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, পেঁপে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়, জলপাই ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়, ধোন্দল ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, বটবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়, আলু ২৩ থেকে ২৫ টাকায়।

সেগুনবাগিচা বাজারের ব্যবসায়ী ‍তুষার জানান, সকালে আড়তে গিয়ে বেশির ভাগ দোকান বন্ধ পেয়েছেন। এ কারণে সবকিছু তাকে বেশি দামে কিনে আনতে হয়েছে। সব দোকান খোলা থাকলে দাম আরো কমে যেতো বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে পাইকারী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানিয়েছেন, দোকানের কর্মচারীরা ঈদেই একটু ছুটি কাটায়। তাদের ছুটি কাটানো শেষ হলে পাইকারী বাজারে সব দোকান খুলবে। এছাড়া ঈদের সময় আমদানি কম থাকে। কয়েকদিন পর আমদানি বাড়বে তখন কাঁচামালের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাজারে মানভেদে দেশি পিঁয়াজ ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিদেশি পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। দেশি রসুন আগের মতোই ৭০ থেকে ৮০ টাকায় এবং আমদানি করা রসুন ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি আদা ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে খুচরা বাজারে প্রতি হালি ব্রয়লার মুরগির ডিম ৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি হাঁসের ডিম ৪৪ ‍টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারী বাজারে ব্রয়লার মুরগির একশ ডিম ৮২০ টাকায় এবং হাঁসের ডিম ১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম (সাদা) ১৬০ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা, ব্রয়লার মুরগি (লাল) ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা। গরুর মাংসের দোকানে বেচাকেনা তেমন লক্ষ্য করা যায়নি। একই সঙ্গে মাংসের দোকান বেশির ভাগই বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। যেসব দোকান খোলা ছিল সেগুলোতে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৩৮০টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

যাত্রাবাড়ী পাইকারী কাঁচাবাজার ব্যবসায়ীদের নেতা নূরু হাজী বলেন, ঈদের পর আড়তে মালামাল আমদানি কম। আমদানি পুরোপুরি শুরু হলে দাম কিছুটা কমবে।






মন্তব্য চালু নেই