মেইন ম্যেনু

কাট আউট পদ্ধতিতে সংগঠিত হচ্ছে জেএমবি

নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্যরা কাট আউট পদ্ধতিতে সংগঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।

বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর হাজারীবাগে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই জেএমবি কমান্ডারের নিহতের ঘটনায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

গতরাতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই জেএমবি কমান্ডার নিহত হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে তিন জেএমবি সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মনিরুল ইসলাম জানান, পুলিশের গুলিতে নিহত কামাল গাবতলীতে পুলিশের এএসআই ইব্রাহিম মোল্লা, আশুলিয়ায় পুলিশ কনস্টেবল মুকুল হোসেন হত্যা ও হোসেনী দালানের গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। গ্রেপ্তাররা দুই মাসের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। জেএমবি সদস্য আরমানের বাসা তাদের আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হত। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি দারুস সালামের পুলিশ হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযানে ব্যবহার করা হত।

ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, পুরান ঢাকার হোসেনী দালানের গ্রেনেড বিস্ফোরণের মামলায় মোট পাঁচজন আসামি ছিল। এদের মধ্যে শাহাদত আগেই নিহত হন। গতকাল ঘটনায় নিহত দুইজনও ওই হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। মুসা নামের একজন কারাগারে এবং অপরজন পলাতক রয়েছেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, আত্মঘাতী হামলা করার মতো জেএমবি কোনো সদস্য নেই। তারা কাট আউট পদ্ধতিতে সংগঠিত হচ্ছে। জেএমবি নেতা ফারদিন ও সজিব পলাতক রয়েছে। যারা ময়মনসিংহের ত্রিশালের জঙ্গি ছিনতাই ও পুলিশ সদস্য ইব্রাহিম হত্যা মামলার আসামি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-কমিশনার মাশরেকুর রহমান খালেদ, ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের উপ-কমিশনার মো. মারুফ হোসেন সরদার, পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এসএম জাহাঙ্গির আলম সরকার এবং জঙ্গি দমন আন্তঃদেশিয় অপরাধ প্রতিরোধ টিমের সহকারী কমিশনার মো. আহমেদুল ইসলাম।

উল্লেখ, গতরাতে রাজধানীর হাজারীবাগে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জেএমবির দুই কমান্ডার নিহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে সংগঠনটির তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- কামাল ওরফে হিরন ও আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে আবদুল্লাহ। গ্রেপ্তার করা হয় মো. আরমান, জাহিদ হাসান ও নুর মোহাম্মদ নামে তিন জেএমবি সদস্যকে।






মন্তব্য চালু নেই