মেইন ম্যেনু

কার্যালয় দখলে গিয়ে ধাওয়া খেল কথিত ‘আসল বিএনপি’

বিএনপি কার্যালয় দখল নিতে গিয়ে ‘আসল বিএনপি’ দাবিদার কামরুল হাসান নাসিমের লোকজন উল্টো ধাওয়া খেয়েছে। বিএনপি কার্যালয়ে আগে থেকেই অবস্থান নেয়া ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় তারা।

মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ‘আসল বিএনপি’র ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল ব্যানার নিয়ে মহড়া দেয়। ওই ব্যানারে লেখা ছিল- ‘বিএনপির পাঁচটি অসুখ সারাতে দলীয় বিপ্লবের তৃতীয় মহড়া। জাতীয়তাবাদী জনতার উচ্চ আদালত বসবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।’

ব্যানার নিয়ে লোকজন বিএনপি কার্যালয়ের বিপরীত রাস্তা দিয়ে অগ্রসর হলে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া দেয় নাসিমের অনুসারীদের। এতে অংশ নেন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, কৃষকদল নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট, ছাত্রদলের সাবেক নেতা সরদার মো. নুরুজ্জামান, জিয়া নাগরিক ফোরামের (জিনাফ) নেতা মিয়া মো. আনোয়ার, যুবদলের নেতা কাদের সিদ্দিক প্রমুখ।

পরে নাসিমের অনুসারীরা একটি গলিতে ঢুকে পড়ে। ফলে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। এরপর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলের ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা মিছিল করে। তারা এ সময় সরকার বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

বিএনপি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে আগে থেকেই ঘোষণা দিয়ে কথিত ‘আসল বিএনপি’র নেতা ও বিএনপি পুনর্গঠনের মুখাপত্র দাবিদার কামরুল হাসান নাসিম তার অনুসারীদের নিয়ে আরো দুইবার বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান এবং কার্যালয় দখল করতে আসে।

নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় দখল করতে লোকজন গেছে স্বীকার করে নিয়ে কামরুল হাসান নাসিম বলেন, ‘জনতার নিম্ন আদালতের রায় অনুযায়ী নয়া পল্টনে উচ্চ আদালত বসবেই। এরই ধারাবাহিকতায় দলীয় বিপ্লবের তৃতীয় মহড়া অনুষ্ঠিত হল। যেকোনো সময় নয়া পল্টনে জনতার আদালত বসবে। এ আদালত বসার পরে ১৯ মার্চের তথাকথিত কাউন্সিল বাদ দিয়ে দল পুনর্গঠন করা হবে।’






মন্তব্য চালু নেই