মেইন ম্যেনু

কার ‘পাপে’ ঢাকা ডোবে?

“বজ্র কহে, দূরে আমি থাকি যতক্ষণ
আমার গর্জনে বলে মেঘের গর্জন,
বিদ্যুতের জ্যোতি বলি মোর জ্যোতি রটে,
মাথায় পড়িলে তবে বলে’ বজ্র বটে!”

নগরবাসীকে বজ্রাহত হওয়ার দশায়ই পড়তে হলো আবারও। মাত্র চারদিন আগে, মাত্র গত শনিবার ঢাকায় জলাবদ্ধতা নিয়ে নগরকর্তাদের আহ্বান করা একটা সভায় কর্তা ব্যক্তিরা আশ্বাস দিয়েছিলেন আরো বছর দশেক বাকি আছে ঢাকা শহরের রাস্তায় সাঁতার কাটতে। ১০ বছর অনেক লম্বা সময়, সাঁতার-টাতার শিখে নিয়ে, নৌকোর বন্দোবস্ত করে নেওয়ার জন্য ঢের বেশি, আমরাও নিশ্চিন্তই ছিলাম এক রকম। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কাটা সত্যি হয়েছে বটে, তবে ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয়নি, হাতে হাতেই নগদ ফল লাভ ঘটেছে।

ওই সেমিনারেই ‘বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘আগে ঢাকায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়ে যে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো, এখন মাত্র ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে তেমন এবং কোথাও কোথাও তারও চেয়ে বেশি জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এক ঘণ্টার বৃষ্টির পানি কোথাও কোথাও ১০ ঘণ্টাতেও নামে না। পানি নামতে না পারার কারণ নিষ্কাশনব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে। এখানে পয়োবর্জ্য নিষ্কাশনের নর্দমা ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের নর্দমা অনেক জায়গায় এক হয়ে গেছে। কঠিন বর্জ্য নর্দমার প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করছে। অনেক জায়গায় নর্দমা বন্ধ হয়ে গেছে। উপরন্তু পানি গিয়ে যেখানে পড়বে, সেই খাল ও জলাভূমিগুলো দখলসহ ভরাট করে ফেলা হয়েছে।’ ১

তো এই জলে আবদ্ধ, মল-মূত্র-আর্বজনা-কাদায় একাকার নগরবাসীর মাখামাখি দশার দায়টা কে নেবেন? জনগণ না কর্তাগণ? সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী, শাহরিয়ার আলম পলক তার ফেসবুকের স্টাটাসে লিখেছেন, আমরা বাদামের খোসা, চিপসের প্যাকেট, বাসাবাড়ির বর্জ্য ফেলে সব নর্দমা ভরে ফেলেছি বলেই এই বিপত্তি।২ মানে পরিষ্কার, দায়টা জনগণের। নাগরিকদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশও সম্ভবত একই সন্দেহ করে।

সত্যি কথা, দুনিয়ার বহু নগরে বৃষ্টি হলে পানি জমে। দুনিয়ার খুব কম নগরে নগরবাসী বাদামের খোসা, চিপসের প্যাকেট রাস্তায়-নর্দমায় ফেলে, এটাও সত্যি। কিন্তু শুধু এই কারণে কি ঢাকা নগর তলিয়ে গেল পানির নিচে?

আচ্ছা ধরি, নগরবাসী এখানে-সেখানে ময়লা না ফেলে সব খোসা ও প্যাকেট ডাস্টবিনেই ফেলল। আমাদের একটা প্রশ্নেরই উত্তর দরকার, নগর-কর্তৃপক্ষ কি সেই ময়লা অপসারণে সক্ষম?

উত্তর হলো- না। রাজধানী উন্নয়ন  কর্তৃপক্ষের হিসাব মতে, মোট বর্জ্যের মাত্র ৫১ শতাংশের ব্যবস্থা করতে পারে নগর-কর্তৃপক্ষ। কোরীয় ও দেশি কয়েকটা প্রতিষ্ঠানের এই যৌথ জরিপের ফলাফলের সাথে ভিন্নমত পোষণ করলেও তা অস্বীকার করতে পারেনি নগরকর্তৃপক্ষ।৩ বাকি কমবেশি ৪৯ শতাংশ বর্জ্যের ভাগ্যে তাহলে কী ঘটে?

মাননীয় মন্ত্রী আরো একটা তথ্য জেনে খুশি হবেন। রাজউকের ওই জরিপ অনুযায়ীই, যে নাগরিকদের তিনি ময়লা ফেলার জন্য দুষছেন, তারা বরং নানা পুনর্ব্যবহার ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করার জন্য ৯ শতাংশ বজ্য তুলে নেন! এভাবে টোকাই ও ময়লার থেকে নানা জিনিসপত্র সংগ্রহকারীরা আসলে বিনা বেতনে নগর-কর্তৃপক্ষের খরচের অন্তত নয় ভাগ বিনা বেতনে বাঁচিয়েই দিচ্ছে। অতএব, তিরস্কারের বদলে ধন্যবাদই জনগণের পাওনা।

আমাদের সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান আর পর্যবেক্ষণও তাই বলে। ঢাকা সিটি করপোরেশন ঢাকা নগরে তৈরি হওয়া ময়লার একটা বড় অংশই সরাতে সক্ষম নয় বলেই তারা প্রতিটি  মোড়ে ময়লা ফেলার বন্দোবস্ত রাখে না। যথাসম্ভব দূরে দূরে সেগুলো স্থাপন করে। একটা থেকে আরেকটার দূরত্ব বহু ক্ষেত্রে কয়েক কিলোমিটারও হতে পারে। সেগুলোও ঠিকমতো ব্যবস্থাপনা করা হয় না। স্বল্পদূরত্বে ময়লা ফেলার ভদ্রস্থ ব্যবস্থা না থাকাই প্রধান কারণ নগরবাসীর এখানে-সেখানে ময়লা ফেলার অভ্যাসের, তার সাথে যুক্ত হতে পারে প্রশিক্ষণের অভাব। কিন্তু বাদামের খোসা এবং চিপসের প্যাকেট যদি আপনি দু কিলোমিটার হেঁটে ডাস্টবিনেও ফেলতেন, গণিতের নিয়মেই সেগুলো স্তূপীকৃত হয়ে থাকত সেখানেই,  কারণ এই ময়লা সরাবার মতো বন্দোবস্ত সিটি করপোরেশনের নেই। অতএব বাদামের খোসার কারণে ঢাকা নগরী নর্দমায় ডোবেনি। সেই রহস্য অন্যত্র।

উন্নয়ন ও দখলের প্রতাপ

চিপসের প্যাকেট ইত্যাদিকে আজকে বলির পাঠা বানানো হচ্ছে বটে। কিন্তু জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ আসলে জলের নিজ ধর্ম পালনে প্রতিবন্ধকতা। নেমে যাওয়ার যথেষ্ট জায়গা যদি পেত, সিটি করপোরেশনের ফেলে রেখে যাওয়া অধিকাংশ ময়লাও প্রবহমান জলের তোড়ে ভেসে যেত, যদিও ময়লা নর্দমায় ফেলা একদম অনুচিত। এখানে জলের চলে যাওয়ার জায়গা নেই বলেই সেও যতক্ষণ পারছে, থেকে যাচ্ছে। কী করে হলো তা?

সবার আগে দেখা দরকার, ঢাকা শহরে আশির দশকেও ৪৭ টি নিষ্কাশন খাল ছিল, এখন মাত্র ২৫টি টিকে আছে। বাকি ২২টি বিলুপ্ত। সেগুলোর মধ্য দিয়েই নগরীর পানি নিষ্কাষিত হতো। এখনকার পান্থপথের কথা ভাবুন। ২৫ বছর আগেও এটাই ছিল সুবিশাল একটা জলাভূমি, যার সাথে ধানমণ্ডি লেক ও হাতিরঝিল হয়ে নদীর সাথে যোগাযোগ ছিল। ছিল প্রবহমান জলের ধারা। বিপুল পানি সে ধরে রাখত, নিষ্কাশনেরও ব্যবস্থা করত। ধোলাই খাল আরো আগেই পাকা সড়কে পরিণত হয়েছে।  এই দখল কিন্তু সাধারণ মানুষ করেনি, সরকারই সেখানে ‘উন্নয়ন’ করেছে, পাকা সড়ক নির্মাণ করেছে। পানি সরে যাওয়ার কোনো বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হয়নি।

অন্যদিকে বেদখল হয়ে যাওয়া খাল-নদীর পাড়ও দেখা যাবে সর্বত্র প্রভাবশালীরাই ভরাট কিংবা দখল করেছে। গত বছর আমরা দেখলাম রামপুরা- চৌধুরীপাড়া ঝিলে যুবলীগের দখল করা ঝিলে তোলা ঘর ঢেবে তিন জন শ্রমজীবী ভাড়াটিয়ার মৃত্যু হয়েছিল। এইভাবে ঝিলের ওপর বাড়ি তুলে তুলে এবং ক্রমাগত ময়লা ফেলে রাজনৈতিক পাণ্ডারা তা দখল করে ইতিমধ্যেই বহু জলাভূমি অদৃশ্যমান করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ ক্ষমতাসীনরাই তা করেছেন, সাধারণ মানুষ তা করেনি।

এমনকি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দখলকে সরকারি কর্তৃপক্ষ বৈধতাও দিয়েছেন। সিএস ম্যাপে বুড়িগঙ্গা নদীতে অবৈধ দখলের সংখ্যা তিন হাজার হলেও আরএস ম্যাপে এই দখলের সংখ্যা মাত্র ২০০! এমনকি ঢাকার নতুন ডিটেইলড এরিয়া প্লানে (ড্যাপ) বহু জলাভূমিকে আবাসিক এলাকা হিসেবে প্রদর্শন করা হয়েছে। এভাবে দখলবাজদের স্বীকৃতি দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথগুলোকে দখল ও ভরাটকে উৎসাহিত করে নাগরিকদের বকে দেওয়া হচ্ছে বাদামের খোসা ফেলে নর্দমা বন্ধ করার জন্য।

ঢাকা নগরে দখলবাজদের প্রভাব ও ক্ষমতার সবচে বড় প্রতীক বিজিএমইএ ভবন। এই ভবন নিয়ে ২০১৩ সালের ১৮ মার্চ মঙ্গলবার হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়, যদিও রায়টি দেওয়া হয়েছিল আরো প্রায় দুই বছর আগে ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ ভবনটি ভাঙার নির্দেশ দেন। তাঁদের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, আদালত বলেছে, যেহেতু এ জমির মালিকানা স্বত্ব বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষের নেই, তাই অবশ্যই তাদের ওই জমি থেকে উচ্ছেদ করতে হবে। যে জমির ওপর ভবনটি তৈরি করা হয়েছে তা বেগুনবাড়ি খালের পানি প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং হাতির ঝিল প্রকল্পে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। তাই ভবনটি ভিত থেকে ভেঙে ফেলতে হবে। বেগুন বাড়ি খাল পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে এনে হাতির ঝিল প্রকল্পকে মূল নকশা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে বলেছেন আদালত।৪

সেটা কিন্তু করা হয়নি। বেগুনবাড়ি খালের পানি বাধাগ্রস্ত হওয়ার ফলাফল আমরা দেখছি কারওয়ানবাজার সংলগ্ন এলাকা ডুবে যাওয়ার মধ্যে। এভাবেই এই দখলের প্রক্রিয়ায় রাজধানীর অধিকাংশ খাল হারিয়ে গেছে, যেগুলো অস্তিত্বশীল, সেগুলোও প্রায় ভরাট কিংবা অস্তিত্ব হারাবার পথে। প্রভাবশালীতম মানুষগুলো যখন নিজেরা দখলের প্রতিযোগিতায় নামেন, নাগরিকদের বাদামের খোসা ফেলা দিয়েই তখন সমস্যাকে আড়াল করতে হয়।

অতএব এটা খুব পরিষ্কার, দায়টা জনগণের নয়, কর্তাদের। তারপরও, আপাত দৃষ্টিতে কথাটার সামান্য কিছু সত্যতা আছে। এখনো টিকে থাকা খাল ও নর্দমার মুখ আটকে দেওয়ার জন্য পলিথিন বা নেটের ব্যাগও নিশ্চয়ই দায়ী। কিন্তু এগুলো বন্ধ করার দায় কার? ঢাকাবাসী কি এগুলো ব্যবহার করলেও উৎপাদন করা নিয়ন্ত্রণ করে? ঢাকা শহরেই ডজন ডজন কারখানায় এই পলিথিন ও নেটের ব্যাগগুলো তৈরি হয়। কাজেই উৎপাদন পর্যায়ে সেগুলো বন্ধ করা সহজেই সম্ভব। সম্ভব পাটসহ পচনশীল উপকরণ দিয়ে থলে বানানো, সেগুলোকে জনপ্রিয় করা। কিন্তু আবারও বলা দরকার, জলাবদ্ধতার জন্য প্রধানত দায়ী দখল, অব্যবস্থাপনা এবং নির্মাণ কাজের অপচয়। হরিলুটও বলা যেতে পারে।

লুটেপুটে খাই!

হরিলুট কেন বলা হচ্ছে তা ব্যাখ্যা করা যাক। গত বছরও ঢাকা নগরীতে এবারের চেয়ে একটু কম হলেও একই ধরনের জলাবদ্ধতা আমরা দেখেছি। গত বছরের ২ জুন প্রথম আলোতে দেখেছিলাম শিরোনামটি ‘নর্দমা পরিষ্কার, না পুকুরচুরি? ঢাকার জলাবদ্ধতা’।৫ এখানে বলা হয়েছে :

‘রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা কমানোর উদ্দেশে গত চার বছরে খরচ করা হয়েছে ৩০৩ কোটি টাকা। কিন্তু তার ফল কী? সামান্য বৃষ্টিতেই ঢাকার অনেক এলাকায় আগের মতো আর জলাবদ্ধতা দেখা দেবে না- এই নিশ্চয়তা কি সৃষ্টি হয়েছে? মোটেও নয়। তার কিছুটা আভাস মিলেছে গত মাসের ২৪ ও ২৫ তারিখ এবং এ মাসের ২ তারিখে বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতার দৃশ্য থেকে।…এ বাবদ চলতি বছরের পাঁচ মাসেই ওয়াসা তিন দফায় তুলে নিয়েছে ২০ কোটি টাকা! প্রশ্ন হচ্ছে, এত টাকা গেল কোথায়? নর্দমাগুলো পরিষ্কারের কাজে? সামান্য বৃষ্টিতেই কেন জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে? বাস্তবতা হলো, সারা বছর নর্দমা পরিষ্কার করা হয় না, শুধু বৃষ্টি হলেই ওয়াসা নড়েচড়ে ওঠে। নর্দমার আবর্জনা তুলে স্তূপ করে রাখা হয় রাস্তার ওপরেই কিংবা পাশে, এমনকি অনেক ম্যানহোলের ঢাকনাও আর বন্ধ করা হয় না। ফলে আবার বৃষ্টি হলে সেসব আবর্জনা আবারও গিয়ে পড়ে সেই নর্দমায়।’

ঢাকাবাসী পাঠক, আপনাদের স্মরণ আছে তো, গত বছর প্রায় সব ম্যানহোলে লম্বা লম্বা বাঁশের কাঠি দিয়ে ময়লা তুলে সেগুলো ক্ষুদ্রকায় টিলার মতো স্তূপ করে রাখা হয়েছিল আপনার বাড়ি কিংবা কর্মক্ষেত্রের সামনে রাস্তার ওপরেই? মনে পড়ছে কি, সেগুলো রোদে পুড়ে শক্ত হয়েছিল, বৃষ্টিতে ধুয়ে কাদা হয়ে আপনার জুতোয় আঠার মতো সেঁটে ছিল? বাতাসে ধূলো হয়ে সেগুলোই আপনার নিঃশ্বাসে বিষের মতো মিশে গিয়েছিল, খেয়াল আছে তো? অবশেষে সেগুলোর বড় অংশই আবারও ওই নর্দমাতেই ঠাঁই নিয়েছিল।

মানেটা হলো এই, কর্তারা কোটি টাকা খরচা করে নগরের পেটের ভেতরকার ময়লা বাইরে বের করে আপনাকে দেখিয়েছিলেন, গন্ধ শুকিয়েছিলেন, গায়ে মাখিয়ে দেখিয়েছিলেন, দেখ ব্যাটা পাবলিক, কেমন ময়লা! তারপর সেগুলো আবারও নগরের পেটেই পাঠিয়ে দিয়েছেন।

অভাগা ঢাকা আর কত সইবে? মাঝে মাঝে তাই নিজেই উগরে দেয়। আমরা নাগরিকরা যত দিন সর্বংসহা থাকব, এই চক্র চলবেই।

তথ্যসূত্র :

১. ২৯ আগস্ট, ২০১৫ প্রথম আলো দ্রষ্টব্য; করেছিল ‘ঢাকায় জলাবদ্ধতা নিয়ে সেমিনার : নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নতি না হলে ঢাকার পথে সাঁতরাতে হবে’।

২. স্টাটাসটি দেখুন   https://www.facebook.com/mdshahriar.alam.5/posts/10206945066799226?fref=nf

‘পৃথিবীর প্রায় সব শহরেই অল্পসময়ে হঠাৎ বেশি বৃষ্টি হলে রাস্তা ডুবে যায়। নিউইয়র্ক, ব্যাংকক, মুম্বাই, হ্যানয় নিজের চোখে দেখা। কিন্তু এটা মানি ঢাকার এ অবস্থার উন্নয়ন দরকার। যতটুকুই ড্রেন আছে তা আমরা মনের আনন্দে বাদামের খোসা থেকে শুরু করে, চিপসের প্যাকেট, বাসাবাড়ির বর্জ্য দিয়ে ভরে রেখেছি। আমরা আমাদের যে যার মতো পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করব আবার মুশলধারে বৃষ্টি হলেও রাস্তা পানিবিহীন চাইব, আছে নাকি পৃথিবীতে এ রকম কোনো জাদুকর যে আমরা নাগরিকরা যা চাই তা করে দিতে পারে ?”

৩. দেখুন বাংলা ট্রিবিউন  http://www.banglatribune.com/আবর্জনা-নিয়ে-রাজউকের-জর

৪. দেখুন দৈনিক ইত্তেফাক, http://archive.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDFfMDNfMTNfMV8xXzFfODQzNw==

৫. দেখুন দৈনিক প্রথম আলো http://www.prothom-alo.com/opinion/article/235774/ঢাকার-জলাবদ্ধতা

 

লেখক : সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য, গণসংহতি আন্দোলন।






মন্তব্য চালু নেই