মেইন ম্যেনু

কিবরিয়া হত্যা মামলায় চার্জ গঠন

নয় দফা তারিখ পেছানোর পর ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে বহুল আলোচিত সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার চার্জ গঠন করেছে আদালত।

রোববার এ মামলার শুনানি শেষে চার্জশিট গঠন করেন সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মকবুল আহসান।

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র (সাময়িক বরখাস্ত) আরিফুল হক চৌধুরীর কারণেই সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার চার্জ গঠন প্রক্রিয়া ঝুলে ছিল এতোদিন। অসুস্থ্যতার কারণে তিনি আদালতে হাজির হতে না পারায় নয় দফা মামলার চার্জ গঠন পিছিয়ে যায়।

অবশেষে রোববার সকাল ১০টা ৫৬ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অ্যাম্বুল্যান্সের মাধ্যমে তাকে আদালতে আনা হয়।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যেরবাজারে এক জনসভা থেকে ফেরার পথে গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া, তার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী নিহত হন।

এ ঘটনায় আহত হন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আলহাজ মো. আবু জাহির, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী ও রাজন চৌধুরীসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী।

ঘটনার পরদিনই হবিগঞ্জ-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।

তিন দফা তদন্তের পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডি সিলেট অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মেহেরুননেছা পারুল গত বছরের ২১ ডিসেম্বর সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জের মেয়র জিকে গউছ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ৩৫ জনের নামে সম্পূরক অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন।

এরপর ৩১ ডিসেম্বর দুপুরে হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারক হাকিম রোকেয়া আক্তারের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আরিফুল হক চৌধুরী। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আরিফকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

পরদিনই অসুস্থ হয়ে পড়ায় আরিফকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর নয় দফা মামলার চার্জ গঠন পিছিয়ে যায় আরিফের জন্য। গত ২১ জুন, ৬, ১৪ ও ২৩ জুলাই এবং ৩, ১০, ১৮ ও ২৫ আগস্ট এবং ৬ সেপ্টেম্বর আলোচিত এই মামলার চার্জ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সকল আসামি আদালতে হাজির করতে না পারায় চার্জ গঠনের তারিখ পিছিয়ে যায়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, কিবরিয়া হত্যা মামলায় হারিছ চৌধুরীসহ ১০ আসামি এখনো পলাতক। কারাগারে রয়েছেন ১৪ আসামি এবং জামিনে আছেন ৮ জন। অন্য ২ আসামির সঠিক ঠিকানা পাওয়া যায়নি এবং মামলার বিচার কাজ চলাকালে এক আসামি মারা গেছেন।






মন্তব্য চালু নেই