মেইন ম্যেনু

কিবলা : সব দিকেই আল্লাহর দৃষ্টি সম্প্রসারিত

সমগ্র বিশ্ব ও তার মধ্যস্থিত যা কিছু আছে সবকিছুই আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন। মানুষের মনের গহিনে লুকায়িত বিষয় সম্পর্কেও আল্লাহ তাআলা জানেন। চাই মানুষ তা প্রকাশ করুক আর নাই করুক। কিবলা সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মুসলমানদের মনের অবস্থা আল্লাহ তাআলা জানতেন। আবার সফরকালে কিবলা নির্ধারণ, আবার অনেকে বিশ্বনবির ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্যদিকে ক্বিবলা হোক কামনা করতো। তাই আল্লাহ তাআলা বলেন-

পূর্ব ও পশ্চিম সবদিকই আল্লাহ তাআলার। সুতরাং তোমরা যে দিকেই মুখ ফেরাও না কেন সেদিকেই আল্লাহ তাআলার দৃষ্টি বিদ্যমান। নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা সর্বদিক পরিবেষ্টনকারী এবং পূর্ণ জ্ঞানবান। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১১৫)

এ আয়াতে কিবলা বা দিক সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় মুফাসসিরিনগণ বলেন,
>> মক্কায় অবস্থানকালেও বিশ্বনবি বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়তেন এবং বাইতুল্লাহও সামনে থাকতো। হিজরতের পরও ১৬/১৭ পর্যন্ত বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করেই নামাজ পড়েছেন। পরে আল্লাহ তাআলা বাইতুল্লাহর দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার জন্য এ আয়াত নাজিল করেন।

>> কেউ কেউ বলেন, এ আয়াত নাজিল হয় তখন, যখন বিশ্বনবি সফরে থাকাকালীন নফল পড়তেন। তখন সওয়ারীর মুখ যে দিকে থাকুক না কেন সে দিকে মুখ করেই নামাজ পড়ার অনুমতি প্রদান করা হয়। কারণ সব দিকই আল্লাহ তাআলার।

পরিশেষে…
আল্লাহ তাআলা শুধুমাত্র পূর্বেরও নন পশ্চিমেরও নন। তিনি সকল দিক ও সকল স্থানের মালিক। কিবলা নিয়ে ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের বিরোধিতায় ইবাদাতের কোনো সমস্যা হবে না। আবার সফরকালে কিবলা নির্ধারণ করতে না পারলেও ইবাদাত বিফলে যাবে না। কারণ সর্বদিকেই আল্লাহ তাআলা দৃষ্টি সম্প্রসারিত।

আল্লাহ তাআলা মুসমিল উম্মাহকে তার সকল বিধি-বিধান মেনে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।






মন্তব্য চালু নেই