মেইন ম্যেনু

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০১৬

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে আ’লীগ ৪, জাপা ৫, বিএনপি ১ এবং বিদ্রোহী ৪টিতে বিজয়ী হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে শনিবার তৃতীয় ধাপে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। জেলা নির্বাচন অফিসার দেলোয়ার হোসেন জানান, নাগেশ্বরীর ১৪টি ইউনিয়নের নির্বাচনে ৪টিতে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ও ২টিতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। জাতীয় পার্টি থেকে বিজয়ী হয়েছে ৫টি ইউনিয়নে। জাপার বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে ১টি ইউনিয়নে। বিএনপি থেকে বিজয়ী হয়েছে ১টি ইউনিয়নে এবং বিএনপি’র ১জন বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে।

আওয়ামীলীগ থেকে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন, রায়গঞ্জ ইউনিয়ন থেকে আব্দুল্লাহ আল ওয়ালিদ মাসুম, সন্তোষপুর ইউনিয়নে লিয়াকত আলী লাকু, রামখানা ইউনিয়নে আব্দুল আলিম ও কেদার ইউনিয়নে মাহবুব হোসেন নৌকা মার্কা নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। আওয়ামীলীগ থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছে নুনখাওয়া ইউনিয়নে শাহাবুল হোসেন (চশমা মার্কা) ও বেরুবাড়ী ইউনিয়নে আব্দুল মোত্তালেব (মটর সাইকেল)।

জাতীয় পার্টি থেকে বিজয়ী হয়েছে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে আমজাদ হোসেন, ভিতরবন্দ ইউনিয়নে আমিনুল হক খন্দকার বাচ্চু ও নেওয়াশি ইউনিয়নে আমজাদ হোসেন, কালিগঞ্জ ইউনিয়নে মতিয়ার রহমান ও কচাকাটা ইউনিয়নে আব্দুল আউয়াল লাঙ্গল মার্কা নিয়ে বিজয়ী হয়েছে। জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী আকমল হোসেন (চশমা মার্কা) বল্লভের খাস ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে।

বিএনপি থেকে হাসনাবাদ ইউনিয়নে গোলাম মওলা বাবলু ধানের শীষ মার্কা নিয়ে বিজয়ী হয়েছে। এছাড়া বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী মজিবর রহমান (আনারস মার্কা) নারায়ণপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছে।

এই উপজেলায় মোট ১৪ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন ৮৩ প্রার্থী। এরমধ্যে আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টি থেকে ১৪ জন করে, বিএনপি থেকে ১৩ জন, ইসলামী আন্দোলনের ১০ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩২ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ২২ জনই দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর তকমা নিয়ে নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় লড়াই করছেন। ফলে প্রধান তিনটি বড় দলের প্রার্থীরা পড়েছে চরম বেকায়দায়। তারা উপজেলা ও জেলা নেতৃবৃন্দের গ্রুপিং এর শিকারে পরিণত হয়েছেন। ফলে সবার চোখ শেষ পর্যন্ত ঘটনা কোনদিকে গড়ায়। এবারের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে ৪ জন, বিএনপি থেকে ৮ জন এবং জাতীয় পার্টি থেকে ১০ জন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের আনুকূল্য পাবার চেষ্টা করবে।

এছাড়াও সাধারণ সদস্য পদে ৫০৩ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড সদস্য পদে ১৮৮প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৬৫ জন। ভোট কেন্দ্র ১৩৬টি। বুথ সংখ্যা ৮৬২টি।






মন্তব্য চালু নেই