মেইন ম্যেনু

কৃষিতে দেশি জাতকে প্রাধান্য দিতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

দেশের কৃষি ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে দেশীয় বিভিন্ন জাত যেন হারিয়ে না যায় সে দিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। আর এজন্য দেশীয় জাতের ফসলের স্বকীয়তা প্রদানে চেষ্টা করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

আজ সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ।

কৃষি শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এক সময় দেশে কৃষি ব্যবস্থায় সনাতনী প্রথা নির্ভর হলেও আজ তাতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। ফলে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এজন্য তিনি কৃষক, কৃষি বিজ্ঞানী, শিক্ষক, গবেষক, সম্প্রসারণ কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

২০৫০ সালকে সামনে রেখে দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা ও খাদ্য নিরাপত্তার আলোকে কৃষিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য কৃষি বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষিণ এশিয়ায় ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন এগ্রিকালচার’ হিসেবে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অতিথির বক্তৃতায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, কৃষিবিদদের অবদানের জন্যে আজ বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যবিত্তের দেশে উন্নীত হয়েছে। পুথিনির্ভর না হয়ে সবাইকে প্রায়োগিক শিক্ষার প্রতি মনযোগ দেয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

সমাবর্তন বক্তা হিসেবে কৃষিবিজ্ঞানী ড. কাজী এম বদরুদ্দেজা বলেন, কৃষিশিক্ষা ফিল্ড অরিয়েনটেড হতে হবে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে রিসার্সের জন্যে আরো ১০০ একর জমি প্রয়োজন।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেকৃবি উপাচার্য প্রফেসর প্রফেসর মো. শাদাত উল্লা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের প্রধানরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যরা এবং শিক্ষকরা।

প্রথম এই সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা গবেষণায় অসমান্য অবদানের জন্যে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব দ্যা ইউনিভার্সিটি’ ডিগ্রি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থীকে গোল্ড মেডেল দেয়া হয়। সমাবর্তনে অংশ নেন স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি পর্যায়ের ২৩০০ শিক্ষার্থী।






মন্তব্য চালু নেই