মেইন ম্যেনু

কেন্দ্রে উত্তরপত্র কেলেংকারী: কেন্দ্রসচিবসহ ৪শিক্ষককে শোকজ

ভোলার লালমোহন গজারিয়া এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্রে লিখে দেয়ার অভিযোগে এক শিক্ষক এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আরও দুই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন বরিশাল শিক্ষাবোর্ড। পাশাপাশি এ অনিয়মের অভিযোগে ওই কেন্দ্র কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চেয়ে কেন্দ্র সচিবের কাছে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বরিশাল বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ শাহ্ আলমগীর সাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চারটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়।নোটিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় গজারিয়া-২৫৫ কেন্দ্রে উচ্চতর গণিত-১২৬ বিষয়ে তিনজন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্রে দু’রকম ব্যক্তির হাতের লেখা পরিলক্ষিত হওয়ার ফলে বোর্ড কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। যার তদন্তে শিক্ষক কর্তৃক উত্তরপত্রে লিখে দেয়ার ঘটনা প্রমাণিত হওয়ায় ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়াস্থ পাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিএসসি) মো. আমিনুল ইসলামকে শোকজ করা হয়।অপরদিকে একই কারণে ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে দায়িত্ব অবহেলার কারণে দুই জন পরিদর্শককে শোকজ করা হয়। এরা হলেন- ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. শাহাবুদ্দিন ও ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার রায়চাঁদ উদয় চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আবু তাহের। যেখানে বিষয়টি শাস্তিযোগ্য অপরাধ উল্লেখ করা হয় এবং দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কেন চাকরি সংক্রান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এর জবাবপত্র প্রাপ্তির সাত কর্মদিবসের মধ্যে দিতে বলা হয়।এদিকে ওই কেন্দ্রে এমন অনিয়ম সংগঠিত হওয়ার ঘটনায় সুষ্ঠু পরীক্ষা পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগে পরীক্ষা কেন্দ্র কেন বাতিল করা হবে না এর জবাব ও পত্র প্রাপ্তির সাত কর্মদিবসের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র গজারিয়া-২৫৫ এর কেন্দ্র সচিব ও গজারিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে দিতে বলা হয়। শোকজ নোটিশের জবাব পাওয়ার পর সহকারী শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসহ দোষী সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।বরিশাল বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাহ মোঃ আলমগীর জানান, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় উচ্চতর গণিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নকালে গজারিয়া কেন্দ্রের তিন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্রে দুই ব্যক্তির হাতের লেখা বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে বোর্ডের গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তে প্রমানিত হয় যে, ওই উত্তরপত্রগুলোতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থী ছাড়া অপর হাতের লেখা হচ্ছে পাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিকবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিএসসি) মো. আমিনুল ইসলামের। তিনি ৩ পরীক্ষার্থীকে উত্তরপত্র লিখতে সহায়তা করেছেন। সংশ্লিষ্ট ৩ পরীক্ষার্থীকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় বহিস্কার করা হয়েছে। উচ্চতর গণিত পরীক্ষা গ্রহনকালে অভিযুক্ত তিন পরীক্ষার্থীর কক্ষে পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করছিলেন নোটিশপ্রাপ্ত দুই শিক্ষক আবু তাহের ও মো. শাহাবউদ্দিন।






মন্তব্য চালু নেই