মেইন ম্যেনু

কেন খাবেন না? আমলকি হটাবে এই ২০টি রোগ, রয়েছে নানা মরণব্যাধিও

আমলকির উপকারীতা কমবেশি না জেনে পারেন না আপনি। বর্ষা মৌসুমের এই বিশেষ ফলের কদর সর্বত্র। ভোক্তা-চিকিৎসক ও গবেষক মহলে এর কদর আরও বাড়ছে দিন দিন।

এই ফলটি আপনি কেনই বা খাবেন না? আমলকি হটাবে এই ২০টি রোগ, এর মধ্যে রয়েছে নানা মরণব্যাধিও। দেখুন তালিকাটি-

১। আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে ও এটি একটি
গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

২।এটি চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুলের বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

৩।এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও চুল পাকা প্রতিরোধ করে।

৪। আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রোধে অতুলনীয়।

৫। এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডিটির সমস্যা কমে যাবে।

৬। আধা চূর্ণ শুষ্ক আমলকী এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যায়। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।

৭।প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৮।আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।

৯।আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।

১০। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

১১। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।

১২।কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী।

১৩।ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।

১৪।শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে।

১৫।এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।

১৬। আমলকী শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।

১৭। এটি লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

১৮। এর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রির্যাদডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি- র্যাওডিকালস।

১৯। সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে।

২০। ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।






মন্তব্য চালু নেই