মেইন ম্যেনু

কেন হাঁটা সবচেয়ে বড় ওষুধ

মন খারাপ থাকলে যেমন আমরা বলি বাইরে থেকে একটু হেঁটে আসি, তেমনি অসুস্থ রোগীকেও ডাক্তার একটু সময় নিয়ে হাটার পরামর্শ দেন। হাটার চেয়ে বড় ওষুধ নেই। এটি আমাদের শরীরের যেমন রক্ত চলাচল সঠিক রাখে তেমনি বাড়তি মেদ কমিয়ে স্লিম এবং সুন্দর দেখাতে সাহায্য করে। এসব ছাড়াও হাটার আরো কিছু উপকারিতা আছে। চলুন তা জেনে নেই..

মন ভালো রাখে
নিয়ম করে হাঁটা সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। তাছাড়া মন খারাপের সময় আনমনে হাটাচলা মনকে ভালো করে দেয়। সপ্তাহে, মাসে, দিনে নিয়ম করে হাঁটলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া গান শুনতে শুনতেও হাঁটতে পারেন। এটি আপনাকে একটি ছন্দ প্রদান করবে এবং হাঁটতে একা অনুভব থেকে বিরত রাখবে।

যে কোন সময় করা যায়
আপনি ঘরের আশেপাশে, রাস্তায়, কিংবা ঘর থেকে একটু বাইরে ইচ্ছা হলেই হাঁটতে পারবেন, এর জন্য আহামরি কিছু প্রয়োজন নেই। কোন যন্ত্র কিনতে হবে না। খুব বেশি সময় ব্যয় করতে হবে না। আপনি যে কোন সময় আপনার ব্যস্ত সময় থেকে বের করে এই কাজটি করতে পারবেন। এটি এক প্রকার ব্যায়াম হিসেবে আপনার জন্য কাজ করবে।

নাড়াচাড়া
আমাদের বিশাল একটি সময় কাটে অফিসে বসে। কাজের চাপে হয়তো একটি চেয়ারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। যা একদম স্বাস্থ্যর জন্য ভালো নয়। এভাবে বসে থাকার কারণে শরীরে মেদ জমে যায়। ফলে স্ট্রোকসহ নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাছাড়া অনেকেই ভারি যন্ত্র দিয়ে ব্যায়াম করতে চান না, তাদের জন্য অল্প সময়ের এই হাঁটা সবচেয়ে ভালো একটি মাধ্যম। এতে শরীরের সব অংশে আলোড়নের সৃষ্টি হয়। আর রক্ত সব স্থানে পৌঁছে।

প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয়
হাঁটতে হলে আপনাকে ঘর থেকে বের হতেই হবে। আর এই বর্তমান সময়ে যেখানে নিজের জন্য সময় নেই সেখানে প্রকৃতির জন্য সময় কোথায়। নিজের মনকে কিছুটা আলাদা পরিবেশ দিতেও হাঁটা খুব জরুরি।

নিজের জন্য সময়
হাঁটা যেমন একটি ব্যায়াম তেমনি এটি আপনার নিঃসঙ্গতার এক সঙ্গিও। তাছাড়া আপনি প্রতিদিনের এই হাটার সময় নতুন নতুন মানুষদের সঙ্গে পরিচিত হবেন। আপনার অনেকের সাথে নতুন সম্পর্ক সৃষ্টি হবে। আপনি প্রতিদিনের একঘেয়ে জীবন থেকেও একটু ছুটি পাবেন।






মন্তব্য চালু নেই