মেইন ম্যেনু

কোথায় লুকিয়ে থাকে আরশোলা! জানেন কি?

আরশোলার ট্রান্সফরমারের মতই ক্ষমতা আছে, যার ফলে সে খুব দ্রুত দৌড়ে, উড়ে, হেঁটে, উল্টিয়ে এবং দেহকে পাতলা করে ফাঁক-ফোকরের মধ্য দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে।

আরশোলা কোন কাগজ বা প্লাস্টিকের কোন কিছুর উপর দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় কিছুটা শব্দ হয় এবং হিস হিস শব্দ করা ছাড়া আরশোলা সাধারনত নীরবেই চলা ফেরা করে তাই এদেরকে ধ্বংস করাটা কঠিন।

কালো, বাদামি, ছয় পা বিশিষ্ট, ডানা যুক্ত তেলাপোকা গৃহের নানা যায়গায় লুকিয়ে থাকে, যেমন- আসবাব পত্রের ভেতরে, খাবারের প্যাকেটে, পাইপের মধ্যে, যন্ত্রপাতি, সুটকেস ইত্যাদি।

আরশোলা আলো পছন্দ করেনা তাই তারা দিনের বেলা অন্ধকার স্থানে লুকিয়ে থাকে। এরা চুলা বা রেফ্রিজারেটরের নিচে, সিংকের নিচে, লাইটের সুইচের ভিতরে, দরজার চৌকাঠের পেছনে চুপিসারে লুকিয়ে থাকে।

এছাড়াও বইয়ের তাক ও ফার্নিচারের ভেতরে, পর্দার ভাঁজের মধ্যে, পুরনো খবরের কাগজের স্তুপের মধ্যে, কাগজের ব্যাগ, খাবারের থলি, ঝাড়ুর ভেতরে ইত্যাদি নানা জায়গায় লুকিয়ে থাকতে পারে তেলাপোকা।

তাদের লুকিয়ে থাকার জায়গা অসীম। লুকানোর জন্য এরা অন্ধকারাচ্ছন্ন ও নিরুপদ্রব স্থান খুঁজে নেয়।

রাতের বেলায় এরা লুকানো জায়গা থেকে বেরিয়ে আসে খাবারের সন্ধানে। বেঁচে যাওয়া খাবার, নোংরা জিনিসপত্র থেকে খাবার খুঁজে নেয়। এরা বইয়ের বাঁধাইয়ের আঠা পর্যন্ত খেয়ে ফেলে।

দুর্ভাগ্যবশত এরা মানুষের খাবার ও অন্যান্য উপাদানের সাথে কাছাকাছি থাকে যা ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অসুখ ছড়াতে পারে।






মন্তব্য চালু নেই