মেইন ম্যেনু

তাজরীন গার্মেন্টসের অগ্নিকাণ্ড

কোনো সাক্ষি হাজির করতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ

তাজরীন গার্মেন্টসের অগ্নিকাণ্ডে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় প্রতিষ্ঠাটির মালিক দেলোয়ার হোসেন ও চেয়ারম্যান (এমডির স্ত্রী) মাহমুদা আক্তারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১ম ধার্য তারিখে কোন সাক্ষি হাজির করতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ।

বৃহস্পতিবার এ মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কোন সাক্ষি আদালতে হাজির না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক উৎপল ভট্টাচার্জ সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য আগামি ১ নভেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করেছেন।

গত ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম কুদ্দুস জামান এই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এ মামলার আসামি দেলোয়ার হোসেন ও মাহমুদা আক্তার প্রাতষ্ঠানটির লোডার শামীম, স্টোর ইনচার্জ (সুতা) আল আমিন, সিকিউরিটি ইনচার্জ আনিসুর রহমান, সিকিউরিটি সুপার ভাইজার আল আমিন, স্টোর ইনচার্জ হামিদুল ইসলাম লাভলু, প্রকৌশলী এম মাহবুবুল মোর্শেদ ও এ্যাডমিন অফিসার দুলাল উদ্দিন জামিনে রয়েছেন।

মামলাটির আসামি সিকিউরিটি গার্ড রানা ওরফে আনোয়ারুল, ফ্যাক্টরী ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক, প্রডাকশন ম্যানেজার মোবারক হোসেন মঞ্জুর ও শহীদুজ্জামান দুলাল পলাতক রয়েছেন।

গত ২০১৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর ওই ৬ আসামিসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০৪-(ক) ধারায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডির পুলিশের ইন্সপেক্টর একেএম মহসীনুজ্জামন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর ওই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১১১ জন পোশাক শ্রমিককর্মী নির্মমভাবে নিহত হন। আহত হন ১০৪ জন শ্রমিক।

গার্মেন্টসটিতে এক হাজার একশ’ ৬৩ জন শ্রমিক কাজ করতেন কিন্তু দুর্ঘটনার সময় ৯৮৪ জন শ্রমিক সেখানে কর্মরত ছিলেন। নিহত ১১১ জনের মধ্যে তৃতীয় তলায় ৬৯ জন, চতুর্থ তলায় ২১ জন, পঞ্চম তলায় ১০ জন, পরবর্তীতে বিভিন্ন হাসপাতালে মারা যান ১১ জন। লাশ সনাক্ত হওয়ায় ৫৮ জনকে তাদের আত্মীয় স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাকী ৫৩ জনের লাখ সনাক্ত না হওয়ায় তাদের অসনাক্ত অবস্থায় জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়।






মন্তব্য চালু নেই