মেইন ম্যেনু

কোরবানির সঙ্কট কাটাতে ১০ লাখ গরু আসছে

আসন্ন ঈদ-উল-আযহায় কোরবানির পশুর ঘাটতি মেটাতে ভারতসহ মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তান থেকে গরু আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এই পাঁচ দেশ থেকে ১০ লাখেরও বেশি গরু আনা হবে। ইতোমধ্যে ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু আসা শুরু হয়েছে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলার সীমান্ত পথে গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গরু আসার সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। এ জন্য কোরবানির চাহিদা অনুযায়ী দেশের হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু থাকবে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। অবশ্য এবার কোরবানির পশু আমদানি বেশি হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন দেশী খামারিরা। কোরবানির সময়ে পশুর সঙ্কট না থাকলেও ট্রাকের ভাড়া ও পথে পথে চাঁদাবাজির কারণে গরুর দাম বাড়বে বলে ব্যাপারীরা জানান।

এদিকে কোরবানি সামনে রেখে দেশী গরু মোটাতাজাকরণে ওষুধের নামে বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানা গেছে। ওসব গরু হাটে আনা হলে জরিমানাসহ ব্যাপারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়ার উদ্যোগ নেবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে প্রতিবছর কোরবানির পশুর চাহিদা তৈরি হয় ৭০ লাখের মতো। দেশের ভেতরে এর যোগান আছে ৬০ লাখ। এ ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে ১০ লাখ যা দেশের মোট চাহিদার ১৫ শতাংশের সমপরিমাণ। এই ঘাটতি ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, দেশে এখন গরুর সংখ্যা দুই কোটি ৮৬ লাখ। এর মধ্যে ১ কোটি ৭৫ লাখ গাভী। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও মাংস ব্যবসায়ীদের হিসাবে, দেশে বছরে ১ কোটি ৪০ লাখের মতো গরু ও মহিষ জবাই হয়। এর ৬০ শতাংশই হয় কোরবানির ঈদে। কোরবানির জন্য এবার ৩০ লাখ গরু ও ৬৯ লাখ ছাগল-ভেড়া ও মহিষ রয়েছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদার শতকরা প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব উৎপাদন থেকে আসছে। তবে কোরবানির সময় এটি মোট চাহিদার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ঘাটতি থাকে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় গরুতে তা পূরণ হয়ে আসছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বছরও তার ব্যতিক্রম হবে না। কোরবানির হাটগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী গরুর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের ব্যাপক উদ্যোগ আছে। শেষ পর্যন্ত গরুর কোন সঙ্কট থাকবে না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বিজিবির হিসাব অনুসারে, প্রতিবছর গড়ে ২০ লাখ গরু ভারত থেকে আনা হয়। এ খাতে লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। সরকারী হিসাবে, ২০১৪ সালে গরু এসেছে ২০ লাখ ৩২ হাজার। ২০১৩ সালে আসে ২৩ লাখ ৭৪ হাজার।

জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে আমিষের চাহিদা মেটাতে প্রতিবছরই প্রাণিসম্পদ বাড়ছে। কিন্তু চাহিদা বাড়ছে তার চেয়েও বেশি। দেশে মোট গরুর চাহিদার ৭০ শতাংশের যোগান দেয় দেশী খামারিরাই। বাকি ৩০ শতাংশ আসে ভারত থেকে। প্রতিবছর দেশে গরু উৎপাদন বাড়ছে। কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনাসহ উত্তরাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি জেলায় গরুর বড় বড় খামার গড়ে উঠছে। সরকারী সহযোগিতায় বেসরকারী খাতের উদ্যোক্তারাও গরু উৎপাদনে এগিয়ে আসছেন।

গরু পালনে উৎসাহী চাষীদের নামমাত্র সুদে (৫ শতাংশ) ঋণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী বছর থেকে নিজস্ব উৎপাদন থেকেই দেশে গরুর চাহিদা মিটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব আলী নূর জানান, কোরবানিতে ৩০ লাখ গরু ও ৬৯ লাখ ছাগল-ভেড়া ও মহিষ রয়েছে।

অভ্যন্তরীণ চাহিদার শতকরা প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব উৎপাদন থেকে আসছে। তবে কোরবানির সময় এটি মোট চাহিদার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ঘাটতি থাকে। দীর্ঘদিন ধরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য কিংবা আমদানির মাধ্যমে তা পূরণ করা হয়। তিনি বলেন, এ বছরও তার ব্যতিক্রম হবে না। কোরবানির হাটগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী পশুর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের ব্যাপক উদ্যোগ আছে। পশুর কোন সঙ্কট থাকবে না। তিনি আরও বলেন, স্থানীয়ভাবেও আমাদের উৎপাদন বাড়ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গরু ও ইলিশ এই দুটো অপ্রচলিত পণ্য রফতানিতে দুই দেশেই সরকারীভাবে নিষেধাজ্ঞা বহাল আছে। তবে বাণিজ্যিক কূটনীতিতে এ নিয়ে দু’দেশের মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক ও অলিখিত সমঝোতা হয়েছে। কোরবানির জন্য গরু আসছে, আর শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে যেতে শুরু করেছে পদ্মার ইলিশ। গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বৈধ ও অবৈধ উভয় প্রক্রিয়ায় সীমান্ত পথে শুরু হয়েছে গরু-ইলিশের বাণিজ্য। সম্প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ অনেকটা জোর দিয়েই বলেছেন, কোরবানির পশুর কোন সঙ্কট হবে না। এদিকে আসন্ন ঈদ-উল-আযহায় কোরবানির গরু সরবরাহ ‘অনেক কম হবে’, এবার ভারতীয় গরু আসছে না এ রকম প্রচারণা চালাচ্ছে কয়েকটি চক্র।

আতঙ্ক ও গুজব ছড়িয়ে আগেভাগে গরু কেনার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা করছে এ চক্রটি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভারত সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বজায় থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা গরু বাণিজ্য এবারও শিথিল হচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারত উভয় সরকারের ইতিবাচক মনোভাব ও পদক্ষেপের ফলে কড়াকড়ি সত্ত্বেও গরু বাণিজ্য এবারও চলছে।

ভারতীয় খামারিদের বিরাট একটি অংশ তাদের উৎপাদিত গরু ঈদের সময়টায় বাংলাদেশে বিক্রি করার ওপর নির্ভরশীল। ভারত থেকে গরু আমদানির জন্য সীমান্তের ৩১ করিডর এলাকায় আগের কঠোর অবস্থান কিছুটা শিথিল করেছে বিএসএফ। গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথে প্রায় আড়াই লাখ গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ঈদ ঘনিয়ে এলে গরু আমদানি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন ব্যাপারীরা। ঈদ সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় ভারতের ব্যবসায়ীরা গরু এনে জড়ো করছেন। যদিও অন্য বছরের মতোই এবারও দু’পারেই গরু না আনার জন্য মাইকে সতর্ক করা হচ্ছে।

গরু নিয়ে অনানুষ্ঠানিক এ বাণিজ্য কেন্দ্র করে কোন অবস্থাতেই যাতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি এবং গোলাগুলির ঘটনা না ঘটে সে বিষয়েও সতর্ক রয়েছে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে। গত মার্চে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা সফর করে গরু চোরাচালান বন্ধের ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারির পর ভারত থেকে গরু আসা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকায় বাংলাদেশে বেড়ে যায় গরুর মাংসের দাম। তবে গত ৬ জুন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরের পর থেকেই সীমান্তে কঠোর অবস্থা শিথিল হতে শুরু করে। মাস তিনেকের কড়াকড়ির পর ঈদ সামনে রেখে শিথিল হয়েছে বিএসএফের নজরদারি, আর বাড়তে শুরু করেছে গরু আমদানি।

সূত্রে জানা গেছে, গরু ও ইলিশ এই দুটো অপ্রচলিত পণ্য রফতানিতে দুই দেশেই সরকারীভাবে নিষেধাজ্ঞা বহাল আছে। তবে সম্প্রতি বাণিজ্যিক কূটনীতিতে এ নিয়ে দু’দেশের মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক ও অলিখিত ‘সমঝোতা’ হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন প্রতিবেদককে বলেন, আগামী কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গরু সঙ্কটের কোন আশঙ্কা নেই। ওই সময় ৭০ লাখ গরু ও মহিষের প্রয়োজন, কিন্তু আমাদের রয়েছে ৬০ লাখ। বাকি ১০ লাখ গরু ভারত থেকে আনা হবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে।

এই বাণিজ্য ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ভারত থেকে গরু আসা শুরু হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে বৈধ ও অবৈধ উভয় প্রক্রিয়ায় সীমান্তপথে শুরু হয়েছে গরু-ইলিশের বাণিজ্য। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলার সীমান্ত পথে গত এক সপ্তাহ ধরে ভারত থেকে গরু আসার সংখ্যা বাড়ছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পুটখালী ও সাতমাইল পশুহাটে ফিরছে কোলাহল। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের চারটি পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিন এক হাজারেরও বেশি গরু আসছে।

গত ১৫ দিনে ৫০ থেকে ৭০ হাজারের বেশি গরু এসেছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যশোর, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা ও উত্তরের নওগাঁ সীমান্ত পথে। গত জুনে মাসে যশোরের নাভারন করিডর দিয়ে দুই হাজার ৭২৩ গরু দেশে আনার অনুমোদন নেয়া হয়। আগস্টে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ হাজার ৩৭৬। আর চলতি মাসের প্রথম ২ দিনে এই করিডর দিয়ে গরু এসেছে ৮৭২। গত ১০ দিন ধরে রাতে বশিরহাট সংলগ্ন ইছামতী, উত্তর ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদ জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পানিপথে হাজার হাজার গরু ভাসিয়ে আনা হচ্ছে।

এদিকে টেকনাফ সীমান্ত দিয়েও কোরবানি উপলক্ষে গরু আসছে। টেকনাফ কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, গত জুলাই থেকে এ সীমান্ত থেকে পশু আসতে শুরু করেছে। জুলাই মাসে ১১৪২, আগস্ট মাসে ১২ হাজার ২৪ পশু দেশে এসেছে। চলতি মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত এক সপ্তাহে মোট পশু এসেছে ৭৩৩। এর মধ্যে ৫৯৭ গরু, ১৩৩ মহিষ এবং ৩ ছাগল। এর পাশাপাশি চোরাই পথেও অনেক গরু আসছে। টেকনাফের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হিসেবে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার গরু এসেছে। ঈদের আগে আরও প্রায় ৫০ হাজার গরু আসতে পারে বলে তারা ধারণা করছে।

ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় কোরবানির পশু উঠতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত আমদানিকৃত পশুর সংখ্যাই বেশি। এবার কোরবানির পশু আমদানি বেশি হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন দেশী খামারিরা। চুয়াডাঙ্গার গোকুলখালী পশুহাটের ইজারাদার দেলোয়ার হোসেন দিপু বলেন, ভারতীয় গরুর সংখ্যা বেশি হলে বিগত বছরগুলোর মতো এবারও লোকসানের মুখে পড়বে খামারিরা।

ব্যাপারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগের তুলনায় গরুবাহী প্রতিটি ট্রাকের ভাড়া বেশি এবং পথে পথে চাঁদাবাজির কারণে এবার গরুর দাম একটু চড়া হবে। কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, যশোর, পাবনা, মেহেরপুর ও দেশের উত্তরবঙ্গ থেকে বর্তমানে গরুবাহী প্রতিটি ট্রাকের ভাড়া গড়ে ১৬ থেকে ২০ হাজার টাকা। চার মণ মাংস পাওয়া যাবে এমন ১৫ থেকে ১৬ গরু পরিবহন করা যায় একেকটি ট্রাকে। কোরবানির সময় এসব গরুবাহী ট্রাকের ভাড়া এক লাফে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।

এ ছাড়া পথে পথে নানা ধরনের চাঁদাবাজিসহ হাট-খরচও তো আছেই। মানিকগঞ্জের নওশের আলী ব্যাপারী এই প্রতিবেদককে বলেন, এখন যে ট্রাকের ভাড়া ১৫ হাজার টাকা, কোরবানির আগে সেটির ভাড়া গিয়ে দাঁড়াবে ৩০ হাজারে। পথে পথে চাঁদাবাজি, মস্তানি ও হাট-খরচ তো বাদই থাকল। এখনই গৃরস্থের (গৃহস্থ) কাছ থেকে চড়া দামে গরু কিনতে হয়।

এ কারণে কোরবানির সময় এবার গরুর দামও হবে অন্যবারের চেয়ে বেশ চড়া। এদিকে কোরবানি সামনে রেখে দেশী গরু মোটাতাজাকরণে বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওসব গরু হাটে আনা হলে জরিমানাসহ ব্যাপারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্য সচিব বলেন, প্রাণিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করেছে। তবে কোরবানি সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণের নামে বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করা হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে ফরমালিনের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সফল হয়েছে। তেমনি ভোক্তা স্বার্থ-সংরক্ষণে দেশের প্রচলিত আইনে গরুর হাটে ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করার চিন্তা-ভাবনা চলছে। আশা করা হচ্ছে, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে কোরবানিতে বিষমুক্ত গরু বাজারে পাওয়া যাবে। চাহিদা অনুসারে যোগান এবং বিষমুক্ত গরু সরবরাহের মতো বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছে সরকার।-জনকণ্ঠ






মন্তব্য চালু নেই