মেইন ম্যেনু

কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ভোলায় কামারশালা গুলো ব্যস্ত সময় পার করছে

কামরুজ্জমান শাহীন, ভোলা: ভোলায় কোরবানীর ঈদকে সামরে রেখে কামার পাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে কামারদের। কেউ ভারি হাতুড়ি দিয়ে পেটাচ্ছেন দগদগে লাল লোহার খন্ড।কেউ শান দিচ্ছেন,কেউবা আইতনা দিয়ে কয়লার আগুন বাতাস দিচ্ছেন। ক’দিনের পর মুসলমাদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোরবানীর ঈদ।

এ কোরবানীর ঈদে গরু,ছাগল ও উট কোরবানী পশু হিসেবে জবাই করা হবে। আর এসব পশুর গোস্ত কাটতে দা,বটি,চুরি, ছোড়া ও চাপাতি ইত্যাদি ধাতব হাতিয়ার অপরিহার্য। এজন্য গৃহস্থালি ব্যতিব্যস্ত দা,বটি, চুরি,ছোড়া ও চাপাতি শান দিতে। এদিকে ধাতব সরঞ্জামাদী শান দিতে কামার পাড়ায়গুলোতে ভিড় বাড়ছে মানুষের। ভ্রাম্যমান কামাররা চষে বেরাচ্ছে জেলার ছোট-বড় বিভিন্ন হাট-বাজারে।

আর ভ্রাম্যমান কামারদের কাছে পেয়ে মহাখুশি গ্রাম অঞ্চলের মানুষেরা। যেহেতু কামারদের দোকান গুলোতে এখন খুব ভীর বেড়েছে সেহেতু গ্রামে হলে মন্দ কি। আবার কেউ কেউ কামারদের কাছে পেয়েও সে সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছেন না। জানতে চাইলে তারা জানান,ভ্রাম্যমান কামারদের দেওয়া শান তেমন ভালো হয় না। জেলা জুড়ে এখন কামারীদের ব্যস্ততা লক্ষণীয়।

জেলায় পৌরসভায় ও ৭টি উপজেলায় সবস্থানে এমন ব্যস্ততার দৃশ্য চোখে পড়ার মত। জেলার বিভিন্ন পৌরসভা ও উপজেলার ছোট,বড় বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় আট শতাধিক কামারশালায় কামাররা ব্যস্ত সময় পার করছে। কামাররা জানান, কোরবানী উপলক্ষে দৈনিক আয় ৫-৬হাজার টাকা হলেও অন্যান্য সময় গুলোতে তা আয় হয়না।বর্তমানে কামার শিল্পকে গিলে খাচ্ছে চায়না বাজার।

ভোলা পৌর সদরে অবস্থিত কামারশালায় বিক্রেতারা জানান,দা আকৃতি ও লোহা ভেদে ২শ’ থেকে ৩শ’ ৫০টাকা,ছুরি ৫০ থেকে ২শ’টাকা, চাকু প্রতিটি সর্বোচ্ছ ১শ’৫০টাকা, হাড়কোপানো চাপাতি প্রতিটি ৩শ’ থেকে ৫শ’টাকা এবং ধার করার স্টীল প্রতিটি ৫০ থেকে ২শ’টাকা বেচাকেনা হচ্ছে। পুরনো যন্ত্রপাতি শান দিতে ১শ’ থেকে ২শ’টাকা নিচ্ছেন বলে জানান।






মন্তব্য চালু নেই