মেইন ম্যেনু

কোহলির সেই পুরনো গল্প

৬ এপ্রিল, ২০১৪। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্লেয়ার অব দ্যা টুর্নামেন্ট পুরস্কার জিতেছিলেন ভারতের বিরাট কোহলি। ছয় ইনিংসে চারটি হাফ সেঞ্চুরিসহ টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৩১৯ করেছিলেন তিনি। আর ফাইনালে খেলেছিলেন ৭৭ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস। কিন্তু সেটা পর্যাপ্ত ছিল না। কুমার সাঙ্গাকারার দায়িত্বশীল ইনিংসে ১৩১ রানের বাধা সহজেই পার করে শ্রীলংকা।

৩১ মার্চ ২০১৬। প্রায় একই ঘটনা। পার্থক্য শুধু এ ম্যাচটি সেমিফাইনাল। কোহলি খেললেন অপরাজিত ৮৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। কিন্তু এটাও পর্যাপ্ত হল না। লেন্ডল সিমন্সের বিধ্বংসী ইনিংসে ১৯২ রানের বাঁধা সহজেই পার করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মূল পর্বের খেলায় ৫ ইনিংসে তিনটি হাফ সেঞ্চুরিসহ করেছেন সর্বোচ্চ ২৭৩ রান। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার পথে তেমন বড় কোন বাধা নেই।

কোহলির দুর্দান্ত ইনিংস কোন কাজে দিল না পর পর দুটি টুর্নামেন্টে। বিরাট ভালো খেললেও যোগ্য সঙ্গীর অভাবে দুই দুইটি ট্রফি বঞ্চিত হল ভারত। তবে ব্যক্তিগত অর্জনে অনেক এগিয়ে গেছেন তিনি। সুপার টেনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত ৮২ ইনিংসকে অনেকেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা ইনিংস মানছেন। তবে দুটি টি-টোয়েন্টি ট্রফি হারানোর ক্ষত ঠিকই পোড়াচ্ছে তাকে।






মন্তব্য চালু নেই