মেইন ম্যেনু

ক্যাডার-ননক্যাডার বৈষম্য নিরসনে কর্মবিরতির ঘোষণা

জাতীয় বেতন স্কেলের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে সৃষ্ট বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তগুলো বাতিলের দাবিতে ২৭ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করবেন প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, চিকিৎসকসহ ২৬টি ক্যাডার ও বিভিন্ন ফাংশনাল সার্ভিসের কর্মকর্তারা ।

শনিবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির সমাবেশে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন কমিটির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান।

কর্মসূচির মধ্যে আরো রয়েছে- ২০ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর কালো ব্যাজ ধারণ, ২৩ ডিসেম্বর সারা দেশে মানববন্ধন ও ২৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। তবে এ সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে লাগাতার কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও সমাবেশে ঘোষণা দেওয়া হয়।

সমাবেশে বলা হয়, জাতীয় বেতন স্কেলে প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে ক্যাডার কর্মকর্তাদের অষ্টম গ্রেড ও ননক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য নবম গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ব্যবস্থা গোটা জাতির জন্য ভয়ানক বিপর্যয় ডেকে আনবে। মেধা ও যোগ্যতার মাপকাঠিতে কোনোভাইে ননক্যাডার কর্মকর্তাগণ নিমানের নন। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সাধারণত মেধাবীরাই যোগদান করে থাকেন, যারা ননক্যাডার কর্মকর্তা।

সমাবেশে বলা হয়, সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল বন্ধ করায় কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম মর্যাদাগত ও আর্থিক বৈষম্য সৃষ্টি হবে। সকল ক্যাডার ও সার্ভিসে পদোন্নতির সুষম ব্যবস্থা না থাকায় সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল চালু করা হয়। অনেক বছর ধরে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সে ব্যবস্থা হঠাৎ করে বাতিল করার কোনো যুক্তি নেই। তাই সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল পুনর্বহালের দাবি জানানো হয় সমাবেশ থেকে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সচিব মো. ফিরোজ খান, সদস্য কবির আহমেদ ভূঁইয়া, মো. মোবারক আলী, সবুর আহমেদ, স ম গোলাম কিবরিয়া, আই কে সেলিমুল্লাহ খন্দকার, প্রধান বন সংরক্ষক মো. ইউনুস আলী, কৃষি ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাসাদ্দেক হোসেন, স্বাস্থ্য ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. আ ম সেলিম রেজাসহ বিভিন্ন ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।






মন্তব্য চালু নেই