মেইন ম্যেনু

ক্যান্সার নিয়ে যে কাল্পনিক কথাগুলো প্রচলিত আছে

বছরের পর বছর ধরে ক্যান্সারের কারণ ও প্রতিকার নিয়ে কাল্পনিক কিছু কথা প্রচলিত হয়ে আসছে। তার মধ্যে কিছু আছে নিতান্তই অদ্ভুত ও হাস্যকর। আসুন জেনে নেই সেই রকম কিছু মিথ।

১। লিপস্টিকে লেড বা সিসা থাকে যা ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে
FDA (Food and Drug Administration)সকল প্রকার কসমেটিকের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে। যুক্তি দিয়ে বিচার করলে বুঝা যায় যে, যদি লিপস্টিকে এমন কোন উপাদান থাকতো তাহলে তা শেলফ থেকে ফেলে দেয়া হত। এটা একটা মিথ্যা, কোন ব্র্যান্ডের লিপস্টিকই ক্যান্সার সৃষ্টি করেনা।

২। চিনি খেলে ক্যান্সারের অবস্থা খারাপ হয়
এটা আসলে ঠিক নয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ক্যান্সার কোষ সাধারণ কোষের চেয়ে অনেক বেশি চিনি (গ্লুকোজ)গ্রাস করে। কোন গবেষণাতেই এটা প্রমাণিত হয়নি যে, চিনি খেলে ক্যান্সারের অবস্থা খারাপ হয় বা যদি আপনি চিনি খাওয়া বন্ধ করে দেন তাহলে ক্যান্সার সংকুচিত বা অদৃশ্য হবে।

৩। ক্যান্সার মনুষ্য সৃষ্ট আধুনিক রোগ
মানুষের অস্তিত্বের শুরু থেকেই ক্যান্সার বিদ্যমান। হাজার বছর আগের মিশরীয় ও গ্রীসের চিকিৎসকরা এর বর্ণনা দিয়েছেন। গবেষকরা ৩০০০ বছরের পুরনো কঙ্কালের মধ্যে ক্যান্সারের লক্ষণ আবিষ্কার করেছেন।

৪। ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করলে ব্রেস্ট ক্যান্সার হতে পারে
কোন তাৎপর্যপূর্ণ ডাটা নেই যা প্রমাণ করে যে, ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করলে ব্রেস্ট ক্যান্সার হয়। শেভ করা হলে বা কেটে গেলে যদি ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করা হয় তাহলে ত্বক কেমিক্যাল শোষণ করে এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। আবারো বলছি, এই দাবীর উপর এখনো তেমন কোন তাৎপর্যপূর্ণ গবেষণা হয়নি।

৫। সেল ফোন ব্যবহার করলে ক্যান্সার হয়
এটা নিয়ে তেমন কোন ভালো গবেষণা হয়নি। জেনেটিক পরিবর্তনের ফলে ক্যান্সার হয়। সেল ফোন থেকে খুবই কম ফ্রিকোয়েন্সির এনার্জি নির্গত হয় যা জিনের ক্ষতি করতে পারেনা।

এছাড়াও যে মিথগুলো আছে তা হল- ক্যান্সার ছোঁয়াচে রোগ, ক্যান্সারের সার্জারি করলে সারা শরীরে ছড়িয়ে যায়, আচরণের দ্বারা ক্যান্সারের ঝুঁকি নির্ণয় করা যায়, বাতাসের সংস্পর্শে আসলে ক্যান্সারের অবস্থা খারাপ হয় ইত্যাদি।






মন্তব্য চালু নেই