মেইন ম্যেনু

ক্যালিফোর্নিয়ায় হামলাকারীদের একজনের পরিচয় প্রকাশ

ক্যালিফোর্নিয়ায় মাস কিলিংয়ের ঘটনায় এক সন্দেহভাজন হামলাকারীর পরিচয় জানা গেছে। স্থানীয় এক পত্রিকার বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ওই হামলাকারীর নাম সৈয়দ ফারুক। এদিকে বিবিসি বলছে, সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীই পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।

বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রতিবন্ধীদের জন্য পরিচালিত সেবামূলক একটি সংস্থায় বন্দুক হামলায় কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাসহ আহত হয়েছেন আরো ১৭ জন।

সরকারি রেকর্ডপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, ওই ব্যক্তি সান বার্নারডিনো শহরে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই শহরেই বুধবার ওই বন্দুক হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল।

দুটি আইন প্রয়োগকারী সূত্রের বরাত দিয়ে ‘দা লস এঞ্জেলস টাইমস’ নামের পত্রিকাটি জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ওই হামলাকারীর নাম সৈয়দ ফারুক। সান বার্নারডিনো শহরের যে অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে বুধবার বন্দুক হামলা হয়েছিল সেখানকারই বাসিন্দা ছিলেন ওই ফারুক। সেখানকার কর্মচারীদের মধ্যকার কোনো বিরোধ বা অসন্তুষ্টি থেকে ওই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে।

এদিকে মার্কিন পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়া হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন দুই হামলাকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। এদের একজন পুরুষ ও অন্যজন নারী। তবে নিহতদের পরিচয় জানায়নি বিবিসি।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই, এখনো এ ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেনি। তারা গভীরভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

এফবিআইয়ের সহকারী পরিচালক, ডেভিড বোডিচ বলেন, হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। তিনি বলছেন, ‘অনেকেই হয়তো এখন জানতে চাইছেন যে এটি সন্ত্রাসবাদী হামলা কিনা, কিন্তু এ সম্পর্কে আমরা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। আমরা এ নিয়ে স্থানীয় সংস্থাগুলোর সাথে কাজ করে যাচ্ছি।’

এর আগে লস এ্যাঞ্জেলেসের সান বার্নারডিনো শহরের পুলিশ বলছিল, হামলার পর বন্দুকধারীরা একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। তারা তখন হামলাকারীদের সংখ্যা তিন বলে উল্লেখ করেছিল। এখন বলা হচ্ছে, এক পুরুষ ও এক নারী মিলে ওই হামলা চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে গত কয়েক বছরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় বন্দুক হামলা। এর আগে ২০১২ সালে কানেকটিকাটে অঙ্গরাজ্যে নিউটন স্কুলে চালান বন্দুক হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিল।






মন্তব্য চালু নেই