মেইন ম্যেনু

ক্রিকেটের এমন দশটা রেকর্ড যা হয়তো কখনও ভাঙা যাবে না

রেকর্ড গড়া হয় ভাঙার জন্যই। ক্রিকেটের মত রেকর্ড ভাঙা-গড়ার নজির খুব কম খেলাতেই হয়। কিন্তু এরপরেও কিছু রেকর্ড গড়া থাকে শুধু ধরা যাবে না বলেই। বাইশ গজের এমনই কিছু রেকর্ডের কথা।

১০) জিম লেকারের এক টেস্টে ১৯টা উইকেট- একটা টেস্টের দুই ইনিংস মিলিয়ে ২০টা উইকেট নেওয়া যায়। ১৯৫৬ সালে ম্যানচেস্টার টেস্টে অসিদের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের লেকার নিয়েছিলেন ১৯টা উইকেট। প্রথম ইনিংসে ৯টা, দ্বিতীয় ইনিংসে দশে দশ। কোটলায় কুম্বলে দশে দশ করেছিলেন। কিন্তু দুটো মিলিয়ে ১৯। না, আজ পযর্ন্ত কেউ পারেননি, হয়তো কেউ পারবেনও না।

৯) অধিনায়ক গ্রেম স্মিথের ১০৯টা টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়া–মাত্র ৮টা টেস্ট খেলার পর দেশের অধিনায়কত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। বাঁ হাতি ওপেনার স্মিথ এরপর দেশকে টানা ১০৮টা টেস্টে নেতৃত্ব দেন। আর একটি টেস্ট আইসিসি একাদশের নেতৃত্ব দেন। স্মিথ খেলেছেন ১১৭টা টেস্ট, নেতৃত্ব দিয়েছেন ১০৯টাতে। এই বিরল রেকর্ড ভাঙা খুব কঠিন।

৮) ক্রিকেটার হিসেবে পন্টিংয়ের ১০৮টা টেস্ট জয়– দেশের হয়ে ১০০টা টেস্ট খেলাই যখন যে কোনও ক্রিকেটারের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হয়, সেখানে অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং ১০৮টা টেস্টে অধিনায়কত্ব করেন। অস্ট্রেলিয়ার সোনালি প্রজন্মে খেলা পন্টিংয়ের এই রেকর্ড কেউ কোনও দিন ভাঙতে পারলে সেটাই হবে আশ্চর্যের।

৭) দ্রাবিড়ের ২১০ ক্যাচ–১৬৪টা টেস্টে দ্রাবিড় ধরেছেন ২১০টা ক্যাচ। টেস্টের নিরাপদতম হাতের গড় ০.৬৯৭। কোনওদিন দেশের হয়ে টেস্টে উইকেটকিপিং না করেও এই রেকর্ড রাখা দ্রাবিড়কে ভাঙা যাবে না এটা বিশ্বাস করতে ভাল লাগে।

৬) স্যার জ্যাক হবসের ১৯৯টি শতরান–হ্যাঁ, ঠিক পড়ছেন। ১৯৯টি শতরান। মানে সেঞ্চুরির ডবল সেঞ্চুরি থেকে একটা কম। এই ১৯৯টি-র মধ্যে ১৮টা টেস্ট শতরান আছে স্যার জন বেরি জ্যাক হবসের। ১৯৯ যেন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলে ‘ভাঙতে পারলে ভাঙো’।

৫) গ্রাহাম গুচের এক টেস্টে মোট ৪৫৬ রান—একটা টেস্ট একজন ব্যাটসম্যান করলেন ৪৫৬ রান। হ্যাঁ, ভারতের বিরুদ্ধে লর্ডসে ১৯৯০ সালে গ্রাহাম গুচ এমন কাণ্ডই ঘটান। গুচ প্রথম ইনিংসে করেন ৩৩৩ রান, দ্বিতীয়টাতে করবেন ১২৩ রান। ইংল্যান্ড এই টেস্টে জেতে ২৪৭ রানে।

৪) ৫২ বছর বয়েসে উইলফ্রেড রোডসের টেস্ট খেলা–ক্রিকেট দিন দিন ফিটনেস ভিত্তিক খেলা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ৩২,৩৪ বছরে এসেই অবসরের ঘণ্টা শোনা যায়। আর ইনি, উইলফ্রেড রোডস ৫২ বছর বয়সে টেস্ট খেলেন। ৩০ বছর ধরে তিনি ক্রিকেট খেলেন।

৩) সচিন তেন্ডুলকরের ১০০টা আন্তর্জাতিক শতরান-শতরানের শতরান। কেউ কেউ বলছেন, কোহলি বিরাট এই রেকর্ডটা ভেঙে দেবেন। দিল্লি এখন অনেক দূরে। সচিনের রেকর্ড অক্ষত থাকবে এটা এখনও সাপোর্ট করছে পরিসংখ্যান।

২) মুরলীর উইকেট–টেস্টে ৮০০টা, ওয়ানডেতে ৫৩৪টা উইকেট আছে শ্রীলঙ্কার মুরলীধরনের। মোট ১৩৩৪টি উইকেট। ব্যস, সংখ্যাটাই যথেষ্ট। কতটা পথ পেরোলে মুরলীর রেকর্ড ভাঙা যাবে সেটা মাপার যন্ত্রই এখনও বের হয়নি।

১) ব্র্যাডম্যানের গড়–৯৯.৯৪। কেউ কখনও স্বপ্নেও ভাবে না ভাঙার কথা। গোড়ার দিকে আট, দশ, বিশটা টেস্ট খেলে হাতে গোনা দু একজনের থাকে বটে তবে বেলা গড়ালে ডনের এই এভারেস্টসম ব্যাটিং গড় অক্ষতই থেকে যায়।






মন্তব্য চালু নেই