মেইন ম্যেনু

খসড়া প্রত্যাহার, পেছাল মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো

মন্ত্রিসভা থেকে ফেরত নেওয়া হল ‘জিটুজি প্লাস’ সমঝোতার খসড়া। সোমবার মন্ত্রিসভায় এ খসড়াটি অনুমোদনের জন্য তোলা হলেও তা ফেরত নিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। ফলে বেসরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া ফের পেছাল।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম গণমাধ্যমকে বলেছেন, উভয় দেশের মধ্যে (বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া) সমঝোতা স্মারকের একটি খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। তবে সমঝোতা স্মারকের কয়েকটি ধারা নিয়ে উভয় দেশ একমত হতে না পারায় পরে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ সচিবকে বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। এদিকে কুয়ালালামপুর বাংলাদেশ হাইকমিশনার শহিদুল ইসলামের সঙ্গে সোমবার রাত ৮টার দিকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মিটিংয়ে আছেন বলে জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, মালয়েশিয়ায় বিপুলসংখ্যক কর্মী পাঠানোর বিষয়ে উভয় দেশ একমত হওয়ায় এ ব্যাপারে খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। এরপরেও যাতে প্রক্রিয়াটি সাসটেনেবল (দীর্ঘস্থায়ী) হয় এবং পলিসিটি টেকসই হয় সে ব্যাপারে উভয় দেশই গুরুত্ব দিচ্ছে। যাতে কোনো অবস্থাতেই জটিলতা সৃষ্টি না হয়।

জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রা সভাপতি আবুল বাশার এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে জানান।

সংগঠনটির সহ-সভাপতি আলী হায়দার অবশ্য বলেন, শুনেছি মালয়েশিয়া থেকে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে একটা চিঠি এসেছে। সেই চিঠির প্রেক্ষাপটে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে খসড়া প্রত্যাহার করেছেন।

গত ৩ নভেম্বর মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব দাতো শরিফুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফরে এসে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার ইফতেখার হায়দারের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ বৈঠকে কিভাবে বাংলাদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক কর্মী মালয়েশিয়ায় যাবে তার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়।

এদিন বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. ইফতেখার হায়দার জানিয়েছিলেন, ‘মাত্র খসড়া চূড়ান্ত হল। এটি আমাদের মন্ত্রিসভায় উঠবে। উনারা (মালয়েশিয়া) তাদের মন্ত্রিসভায় তুলবেন। আশা করছি এ মাসের মধ্যেই এ ব্যাপারে চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারব।’

আর প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি জানিয়েছিলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ধরে নেন এখন ওপেন। জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবে সব সেক্টরে দেশটিতে কর্মী যাবে।

কারা, কীভাবে কর্মী পাঠাবে জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের (রিক্রুটিং এজেন্সি) ক্যাপাবলিটি আছে, যাদের ব্যবসার ট্র্যাক রেকর্ড (ক্লিন ইমেজ) খুব ভাল তারাই (রিক্রুটিং এজেন্সি) কর্মী পাঠাতে পারবে। আর প্রতি কর্মীর সে দেশে যেতে অভিবাসন খরচ হবে ৪২ হাজার টাকা।’

সেদিনের বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন মালয়েশিয়ায় কর্মীদের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সে দেশের কোম্পানি সিনারফ্লাক্স পাচ্ছে। তবে বাংলাদেশে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এটা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এটি ঠিক করবে। দ্য রিপোর্টক






মন্তব্য চালু নেই