মেইন ম্যেনু

খালেদার ইফতার মাহফিলে এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা

এখনই নয়। তবে সময় হলে ঠিকই রাজনীতিতে ফিরবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা এরশাদ। এখন পরিবার সন্তান ও সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়েই সময় কাটছে তার। সম্প্রতি জাতীয় পার্টিতে ভাঙনের সুর বেজে উঠলে বিদিশা স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয়। যদিও বিদিশা নিজে তা অস্বীকার করেছেন।

কিন্তু রাজনৈতিক মহলে জোরেশোরেই বলা হচ্ছে- তবে কি এরশাদ প্রথম স্ত্রী অর্থাৎ রওশনকে বাদ দিয়ে বিদিশাকেই তার স্থলাভিষিক্ত করবেন! তবে কি দ্রুতই রাজনীতিতে ফিরবেন বিদিশা!

এই মুহূর্তে এ প্রশ্ন বা আশঙ্কা মুখ্য নয়। মুখ্য খালেদার ইফতার মাহফিলে বিদিশার যোগদান। যেখানে খালেদার ইফতার মাহফিলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির কোনো প্রতিনিধি যোগ দেননি সেখানে বিদিশার উপস্থিতি অন্য এক আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে। আজকের এই যোগদান কি রাজনীতিতে ফেরারই ইঙ্গিত!

শনিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টান্যাশনাল কনভেশন সিটির নবরাত্রী হলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে বিএনপি চেয়ারপারসন আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে সবাইকে চমকে দেন বিদিশা।

এদিন হঠাৎ করেই ইফতার মাহফিলে যোগ দেন বিদিশা। খালেদার ইফতারে বিদিশার যোগদান তাৎক্ষণিক রাজনীতিকদের মধ্যে সাড়া ফেলে। এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান ও শামসুদ্দিন দিদার বিদিশাকে যথাযোগ্য মর্যাদায় ভেতরে আসন গ্রহণ করান। তার পাশে বসেন খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

একাধিক রাজনীতিকের ধারণা- বিদিশা হয়তো শিগগিরই রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন। আজকের ইফতার মাহফিলে যোগদান তারই পূর্বাভাস হতে পারে।

যদি তাই হয় তবে কি নতুন কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বিদিশা, নাকি এরশাদের সঙ্গেই থাকবেন- এখন এটি নিয়েও শুরু হয়েছে গুঞ্জন।

এদিকে সম্প্রতি জাপা দলীয় একটি সূত্র জানায়, ছেলে এরিখের সূত্র ধরে বিদিশা এবং এরশাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। গত এক বছর ধরে দলের মধ্যে কানাকানি চলছে বিদিশার সঙ্গে এরশাদের সম্পর্কোন্নয়ন ঘটেছে। আদালতের নির্দেশানুযায়ী প্রায় প্রতি সপ্তাহেই এরিখ এরশাদের কাছে আসেন। সেই সুবাদে দুজনের কথা হয় এবং মাঝে মাঝে কথাও হয়।

এছাড়া এরশাদের স্ত্রী থাকাকালেই দলের নেতাকর্মীদের অনেকের সঙ্গেই বিদিশার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে।

১৯৯৮ সালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সঙ্গে বিয়ে হয় বিদিশার। এই দম্পতির সন্তান এরিখ এরশাদ। ২০০৫ সালে নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে এই দম্পতির বিচ্ছেদ ঘটে। কিন্তু শিশু এরিখকে নিয়ে আদালত পর্যন্ত যেতে হয় তাদের। আদালতের নির্দেশ মতো এরিখ সেই থেকে এখনো এরশাদ ও বিদিশার কাছে ভাগাভাগি করে থেকেই বড় হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই