মেইন ম্যেনু

খালেদার ওমরাহ পালন নিয়ে অনিশ্চয়তা

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়া নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা কাটছে না।

দেই দফায় যাত্রা বাতিলের পর এ বছর সৌদি আরব সফর নিয়েই অনিশ্চিয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে তার মিডিয়া উইং থেকে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দলীয় সূত্র বলছে, গত ৮ জুলাই রাত সাড়ে ৮টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে খালেদা জিয়ার সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই যাত্রা বাতিল করা হয়।

এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘সুবিধাজনক’ সময়ে তিনি ওমরাহ পালন করতে যাবেন। তবে কবে সেই দিন, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।

ওমরাহ পালন বিষয়ে দলের মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও যথারীতি পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সৌদি বাদশা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তার এ আমন্ত্রণ ‘ভেরি মাচ ভ্যালিড’ আছে। তিনি তার সুবিধা অনুযায়ী যেকোনো সময় এ ওমরাহ পালন করবেন।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘এ বছরের রমজানের শুরু থেকেই চেয়ারপারসন ওমরাহ পালনের ব্যাপারে তেমন আগ্রহী ছিলেন না। তার শরীরটাও ভালো যাচ্ছে না। তা ছাড়া তার দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে কারাগারে রেখে তিনি যেতে চাচ্ছেন না। দলের এক স্থানীয় নেতা ক’দিন আগে কারাবন্দি থাকা অবস্থায় লাশ হয়ে বেরিয়েছেন। এসব বিষয়েও তার মন ভালো নেই।’

তিনি বলেন, ‘ওমরাহ পালন চেয়ারপারসনের একান্তই ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় বিষয়। এ নিয়ে কিছু বলতেও আগ্রহী নই। আসলে বিষয়টি নিয়ে আমরা তেমন কিছু জ্ঞাতও নই। তবে এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নানা রকম সংবাদ পরিবেশন হওয়াতে আমরা এ ব্যাখ্যা দিচ্ছি।’

তবে সূত্রের দাবি, সফরসঙ্গীদের ভিসা-জটিলতায় ওমরাহ পালনে সৌদি আরব যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে খালেদা জিয়ার। এ জটিলতা কাটলে সৌদি আরব যাবেন তিনি।

সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে রাজকীয় মেহমান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই ওমরাহ পালন করে আসছেন খালেদা জিয়া। এ বছরও ১০ জনের জন্য রাজকীয় মেহমান হিসেবে ভিসা চাইলেও সৌদি সরকার ছয়জনের ভিসা অনুমোদন করেন। বিষয়টি নিয়ে কথা চলছে।

অপর একটি সূত্র জানায়, লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখনো ওমরা পালনের জন্য ভিসা পাননি। তারেক রহমানের সৌদি আরব আসা যখন নিশ্চিত হবে, তখনই ওমরা পালনে সৌদি যাবেন তিনি।

আরেকটি সূত্র জানায়, বিএনপি নেত্রীর প্রভাবশালী একজন উপদেষ্টা, যিনি সব সময় খালেদা জিয়ার মধ্যপ্রাচ্য সফরের বিষয়টি দেখভালো করেন। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসনের ওই উপদেষ্টাকে সৌদি আরব যাওয়ার পথে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

ইমিগ্রেশন শাখায় যাওয়ার পর সেখান থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, বিদেশ গমনে পুলিশের অনাপত্তি সনদ না থাকায় তাকে ফেরত যেতে হবে। বিএনপির চেয়ারপারসনের সৌদি যাত্রা নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার এটি অন্যতম কারণ বলেও মনে করে ওই সূত্র।






মন্তব্য চালু নেই