মেইন ম্যেনু

খালেদার বড়পুকুরিয়া মামলা চলবে

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলা চলতে বাধা নেই। আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বিভাগ মামলা চলতে বাধা নেই বলে রায় দেন।এই রায়ের ফলে এ মামলার কার্যক্রম নিম্ন আদালতে চলতে কোনো বা।ধা থাকল না

বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

জরুরি অবস্থার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের করা এই মামলা বাতিলের জন্য খালেদার রিট আবেদনে সাত বছর আগে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট।

রায়ের পর খালেদার আইনজীবী রাগীব রউফ চৌধুরী রায়ের পর বলেন, “আমরা সংক্ষুব্ধ। এ রায়ের বিরদ্ধে আমরা আপিল করব।”

অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, “এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়া গেছে।

এ আবেদন চলতে পারে না বলে আদালত রুল খারিজ করে দিয়েছেন এবং স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে নিম্ন আদালতে এ মামলার বিচার চলতে আর কোনো বাধা নেই।”

এ নিয়ে গত চার মাসে খালেদার তিনটি দুর্নীতি মামলা দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর সচল হল।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এ মামলা বাতিল চেয়ে খালেদা জিয়ার আবেদন বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য আজ বৃহস্পতিবারের দিন ধার্য করা হয়।

গত ৩০ আগস্ট খালেদার আবেদনের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রেখেছিল।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার রগীব রউফ চৌধুরী। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং তার মন্ত্রিসভার ১০ সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে কয়লা খনি দুর্নীতির মামলা হয়। ওই বছর ৫ অক্টোবর ১৬ জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

চীনা প্রতিষ্ঠান কনসোর্টিয়াম অফ চায়না ন্যাশনাল মেশিনারিজ ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশনের (সিএমসি) সঙ্গে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি করার অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলায়।

খালেদা মামলাটি বাতিলের আবেদন করলে ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে। মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও দেয়া হয়। হাইকোর্টের ওই আদেশ আপিল বিভাগেও বহাল থাকায় আটকে যায় বিচার।

সাত বছর পর চলতি বছরের শুরুতে দুদক মামলাটি সচল করার উদ্যোগ নিলে হাইকোর্টের দেয়া রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়।






মন্তব্য চালু নেই