মেইন ম্যেনু

খিজির খানের ‘তরিকা’ নিয়েও ভাবছে পুলিশ

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সাবেক চেয়ারম্যান খিজির খান হত্যার প্রাথমিক তদন্তে নেমে মূলত তিনটি বিষয়কে সামনে রাখছে পুলিশ। এগুলো হলো- তার ব্যক্তিগত শত্রুতা, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং তিনি যে ‘তরিকা’র মানুষ ছিলেন সে সংক্রান্ত সম্ভাব্য বিরোধ।

মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশের গুলশান জোনের উপ-কমিশনার মোস্তাক আহমেদ তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়টি জানান।

গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মধ্যবাড্ডার গুদারাঘাট এলাকায় খিজির খান নিজ বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর ১২ ঘন্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলা করেনি খিজির খানের পরিবার। মামলা না হলেও পুলিশ তদন্ত শুরু করে দিয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তাক।

খিজির খান যে বাসায় খুন হয়েছে সেটি তার নিজেরই। ছয়তলা বাসাটির দ্বিতীয় তলায় একটি খানকাহ রয়েছে। সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। খিজির খানকে অনেকে পীর মানতেন বলেও জানা গেছে।

এ হত্যাকাণ্ড এমন এক সময়ে সংঘটিত হলো- যখন এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশে দুজন বিদেশি খুন হওয়ার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। এছাড়া নিরাপত্তা ইস্যুকে সামনে দাঁড় করিয়ে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল ও দক্ষিণ আফ্রিকা নারী ক্রিকেট দল তাদের বাংলাদেশ সফর স্থগিত করেছে। বাংলাদেশে চলাফেরায় বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছে।

এদিকে খিজির খান হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে মঙ্গলবার বাড্ডার মহানগর মহাবিদ্যালয় ও ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। তারা খিজির খানের বাসার গলির সামনের পথ অবরোধ করে রাখেন। খিজির খান ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই