মেইন ম্যেনু

গজারিয়ায় গুলিবিদ্ধ আরও ১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ জনের সন্ধান মেলেনি

নাসরিন আক্তার, মুন্সীগঞ্জ থেকে : মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে জোড়া খুনের পর গুলিবিদ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম ইউনুফ মৃধা (৪৫)। তিনি ঘটনার ৮দিন পর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকার স্কয়ার হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ নিয়ে গুলিতে গজারিয়ার হোসেন্দি ইউনিয়নের চরবলাকি গ্রামের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য (মেম্বার) গোলাপ হোসেন বেপারী (৪৮) ও তার ছোট ভাই আইয়ুব আলী বেপারী (৩০)সহ এক পক্ষের তিনজন নিহত হলেন। ওদিকে, ঘটনার ৯ দিন অতিবাহত হলেও ঘটনাস্থল থেকে অপহ্নত আওলাদ হোসেন (২৮) ও জুয়েল (২৪)-কে নামের দুই জনের সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজ জুয়েল নিহত ইউপি সদস্য গোলাপ বেপারীর ছোট ভাই। গত ১৭ জুলাই নিহতদ্বয়ের বাবা মজু মিয়া বাদী হয়ে গজারিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা আমিরুল ইসলাম, তার ছেলে যুবলীগ নেতা নাজমুল হোসেন, ডাকাত দলের সদস্য শাহপরান, মনা মিয়া, সেকান্দার আলী ও আরিফ হোসেনসহ ১২৯ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এ মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ৮জনকে ৪দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের মতে, গত ১৪ জুলাই বিকালে উপজেলার হোসেন্দি ইউনিয়নের চরবলাকি এলাকায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক মজনু গ্রুপের আওয়ামী লীগ নেতা হোগলা আমিরুল ইসলাম, তার ছেলে যুবলীগ নেতা নাজমুল হোসেন ও ডাকাত দলের সদস্য শাহপরানের নেতৃত্বে এলাকার আধিপত্য বিস্তার, প্রস্তাবিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জমি ক্রয় ও মাটি ভরাটের হিস্যা নিয়ে পরাজিত চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মন্টু গ্রুপের লোকজনের ওপর অতর্কিতে সশস্ত্র হামলা চালায়।

এর পর উভয় গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ মেম্বার গোলাপ হোসেন বেপারী ও তার ছোট ভাই আইয়ুব আলী বেপারী নিহত হয়। ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ আরও আহত হয় কমপক্ষে ২৫ নারী-পুরুষ। ঘটনার সময় নাজমুল হোসেন গং মন্টু পক্ষের আওলাদ হোসেন ও জুয়েল নামের দুই জনকে অপহরণ করে গুম করে ফেলে।






মন্তব্য চালু নেই