মেইন ম্যেনু

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস’ পালিত

বিধান মুখার্জী, গণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : “ফার্মাসিস্টঃ কেয়ারিং ফর ইউ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হল ‘বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০১৬’।সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এই উপলক্ষে ২৫শে সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ এই অনুষ্ঠানের উদ্ধোধন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মূর্ত্তজা আলী, ফামের্সী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. গোলাম মোহাম্মদ সহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্হিত ছিলেন।

এরপর ক্যাম্পাসের মিডিয়া চত্বর থেকে র‍্যালি বের হয়ে একাডেমিক ভবন,বকুল তলা, ট্রান্সপোর্ট ইয়ার্ড,প্রশাসনিক ভবন হয়ে একাডেমিক ভবনের পেছন ঘুরে ওয়াই-ফাই জোনে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে ফার্মেসী বিভাগের প্রায় ২শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

উল্লেখ্য, সারাবিশ্বে এই দিবসটি পালন করা হলেও বাংলাদেশে কোনও প্রতিষ্ঠানই ২০১৪ সালের আগে এই দিবসটি পালন করেনি। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৪ সালে প্রথমবারের মত ‘এক্সেস টু ফার্মাসিস্ট ইজ এক্সেস টু হেল্থ’ স্লোগান সামনে রেখে ফার্মেসী বিভাগ পালন করেছিল ‘বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস’।

ফামের্সী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. গোলাম মোহাম্মদ এ সম্পর্কে বলেন, ফার্মাসিস্টরা দেশের ভবিষাৎ। তবে বর্তমানে ফার্মাসিস্টদের কিছু না-পাওয়া আছে। কিছু দাবি আছে দাবিগুলো পূরণ করা হলে দেশের উন্নয়নে তারা আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ শিক্ষার্থীদের ভালো ফার্মাসিস্ট হবার তাগিদ দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী ২৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফারজানা শারমিন সাথী জানান, এটা আমাদের জন্য একটা আনন্দের দিন। এবং এর মাধ্যমে আমরা আমাদের দাবিগুলো সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছি।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল ফেডারেশনের উদ্যোগে ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত ইস্তাম্বুল সম্মেলনে ২৫ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯১২ সালের এই দিনে নেদারল্যান্ডসের হেগে আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল ফেডারেশনের প্রথম কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত হয়, এই কারণে দিবসটিকে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ফামের্সী পেশার কর্মরতদের উৎসাহ প্রদান এবং এই পেশা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ২০১০ সাল থেকে সারাবিশ্বে এই দিবস পালিত হয়ে আসছে।






মন্তব্য চালু নেই