মেইন ম্যেনু

গভীর রাতে বাবুলকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ, স্বজনদের উদ্বেগ

চট্টগ্রামের বহুল পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে গভীর রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে উঠে নিয়ে গেছে পুলিশ। তারপর থেকেই বাবুলের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না স্বাজনরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ধারণা করছে বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকান্ডের আসামীদের মুখোমুখি করতে হয়তো বাবুলকে নিতে পারে পুলিশ।

শনিবার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কয়েকজন আসামির সামনে মুখোমুখি করে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এসপি বাবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, বা তাকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এ প্রশ্নে মন্ত্রীর উত্তর, এখনও বলার সময় হয়নি। শিগগিরই জানতে পারবেন।

এদিকে বাবুল আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তার স্বজনদের মধ্যে তৈরি হয়েছে সন্দেহ আর উদ্বেগ। তার বাবা ও শ্বশুর বলছেন, বাবুলের স্ত্রী খুন হওয়ার পর থেকে পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে এসেছে; কিন্তু এখন তারাও সহযোগিতা করছে না। বাবুল আক্তারকে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে রাখা হয়েছে বলে শোনা গেলেও এ বিষয়ে মুখ খুলছেন না পুলিশের কোনো কর্মকর্তা।

বাবুলের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন বলছেন, শুক্রবার রাত ১টার দিকে তাদের বনশ্রীর বাসা থেকে বাবুল আক্তারকে নিয়ে যায় খিলগাঁও থানার ওসি মঈনুল হোসেন ও মতিঝিল বিভাগের উপ কমিশনার আনোয়ার হোসেন। আইজি সাহেব দেখা করতে বলেছেন বলে ওকে নিয়ে গেল। এরপর তার সাথে আর যোগাযোগ করতে পারছি না। যারা নিয়ে গেল তাদের সাথেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। মিতু হত্যার ঘটনায় চট্টগ্রামে যে মামলা হয়েছে, বাবুল আক্তারই তার বাদী। সে কারণে প্রায়ই তাকে পুলিশের কার্যালয়ে যেতে হত বলে মোশাররফ হোসেন জানান।

তিনি বলেন, আগেও ও রাতে গেছে। কিন্তু যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে এমন হয়নি। এ কারণে আমাদের সন্দেহ হচ্ছে। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিচ্ছে না কেন? ফোন বাজছে, ধরছে না কেন? বাসায় দুই বাচ্চা কাঁদছে, মা তো আর নেই।






মন্তব্য চালু নেই