মেইন ম্যেনু

গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ছে ভৌতিক সব প্রাণী (দেখুন ছবিতে)

বিজ্ঞানীরা দিন দিন হাত বাড়াচ্ছেন অসীমের দিকে, মহাকাশের রহস্য জানার উদ্দেশ্যে বাড়াচ্ছেন গবেষণার পরিধি। কিন্তু পৃথিবীর সব রহস্য কী আমাদের জানা হয়ে গেছে? না। রাশিয়ার এক গভীর জলের জেলে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে এখনো অনেক কিছুই জানা বাদ আছে আমাদের, আর আর প্রমাণ হলো এই প্রাণীগুলো। আমাদের দৃষ্টির বাইরে, পৃথিবীরই সমুদ্রের গভীর জলে আত্মগোপন করে আছে বিস্ময়কর, সমৃদ্ধ এক বাস্তসংস্থান। এখানে আছে এমন সব অজানা প্রাণী, যা এমনকি শনাক্ত করতেও পারেননি গবেষকেরা।

মারমান্সক বন্দর থেকে ছাড়ে এমন একটি ট্রলারে কাজ করেন রোমান ফেদরৎসভ। শীতল ব্যারেন্টস সী-তে মাছ ধরতে গিয়ে দারুণ সব অ্যাডভেঞ্চারের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। তার ফেলা জালে দুর্ঘটনাবশত দুর্লভ প্রাণী উঠে আসাটা প্রাণীজগতের জন্য উপকারী কিছু না হলেও আমাদের জন্য তা শিক্ষণীয় বটে। যারা ভাবেন এলিয়েন দেখতে হলে মহাকাশের দিকে দূরবীন তাক করতে হবে, তাদের জন্য রোমান ফেদরৎসভের টুইটার এবং ইন্সটাগ্রামে থাকা এসব গভীর জলের প্রাণীর ছবিগুলো দেখা খুবই জরুরি।

প্রায় সাড়ে আট হাজার ফুট গভীর জলে বিচরণ করা এসব প্রাণীর দেখা পাওয়া বিস্ময়করই বটে। অনেকগুলোর ব্যাপারে তো আগে কখনো তথ্যই পাওয়া যায়নি তেমন।

গোস্ট শার্ক। ছবি- সংগৃহীত

এর মাঝে রয়েছে প্রচ্ছদের গোস্ট শার্কটি, যা দেখামাত্র অতি সাহসী মানুষেরও গা ছমছম করে উঠবে। এই হলো আরেকটি গোস্ট শার্ক। তাদের চোখ এবং সবুজ হয়ে ওঠে শুধুমাত্র আলোর উপস্থিতিতে। গভীর জলের অন্ধকারে তাদের চোখ কালো হয় থাকে। এ কারণে শিকার তাদের উপস্থিতি সহজে টের পায় না।

রেডফিশ। ছবি- সংগৃহীত

খুব কম আলো পৌঁছায় সমুদ্রের গভীরে। আর লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো তো পৌঁছায় না মোটেই। ফলে লাল রঙের মাছ হয়ে থাকে অদৃশ্য। এই ব্যাপারটাকে কাজে লাগিয়ে অনেক গভীর জলের অনেক মাছের শরীর লাল হতে দেখা যায়। যেমন এই ডিপ সী রেডফিশটি।

র‍্যাটটেইল। ছবি- সংগৃহীত

একইরকম ব্যাপার দেখা যায় এই র‍্যাটটেইল বা গ্রেনাডিয়ের মাছের ক্ষেত্রেও।

সী স্পাইডার। ছবি- সংগৃহীত

শুধু মাছই নয়, রয়েছে এই রঙিন সী স্পাইডারটিও।

ফ্রিল্ড শার্ক। ছবি- সংগৃহীত

মনে হবে হরর কোনো চলচ্চিত্র থেকে উঠে এসেছে এই ফ্রিল্ড শার্ক।

স্ক্যাবার্ডফিশ। ছবি- সংগৃহীত

স্ক্যাবার্ডফিশটাকে দেখলেও মনে হবে তা একটি দুঃস্বপ্নেরই অংশ।

সূত্র: আই এফ এল সায়েন্স






মন্তব্য চালু নেই