মেইন ম্যেনু

গরীবের তুলনায় ধনীরা ৮ বছর বেশি বাঁচে!

অর্থ-সম্পদের কারণে বিশ্বজুড়ে মানুষে মানুষে অনেক পার্থক্য আছে। তাই বলে আয়ুর ক্ষেত্রেও পার্থক্য! সম্প্রতি এমনটাই জানা গেছে একটি গবেষণা থেকে। সেখানে বলা হয়, দক্ষিণ ও পূর্ব ইংল্যান্ডের ধনী পুরুষেরা উত্তর ইংল্যান্ডের দরিদ্র পুরুষের চেয়ে প্রায় আট বছর বেশি বাঁচে।

১৯৯০ সাল থেকে ইংল্যান্ডে পুরুষ এবং নারীদের আয়ুর সমতা আনার জন্য কাজ করা হচ্ছে। গ্লোবাল বারডেন অব ডিজিস, ইনজুরি এবং রিস্ক ফেক্টরস (জিবিডি) এর গবেষণায় জানা গেছে, বিগত ২৫ বছরে সেখানে ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে স্বাস্থ্যবিষয়ক পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের ২২টি অঞ্চলের ধনীরা যদি স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকে, তবে উত্তর ইংল্যান্ডের পাঁচটিরও কম অঞ্চল এ সুবিধা পায়।

যদিও ইংল্যান্ডের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণা চালানো হয়েছে। স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের পুরনো তথ্য থেকে একই ধারণা পাওয়া গেছে। ১৯৯০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের প্রকোপ কমিয়ে অন্যান্য দেশের তুলনায় লোকসংখ্যার আয়ু অনেক বাড়িয়েছে ইংল্যান্ড।

কিন্তু দেশটির ধনী এবং দরিদ্র মানুষদের আয়ুর অনেক ব্যবধান রয়ে গেছে। পূর্ব ইংল্যান্ডের পুরুষেরা যেখানে ৮৩ বছর এবং নারীরা ৮৬ বছর বাঁচে, সেখানে উত্তর ইংল্যান্ডের পুরুষেরা ৭৫ বছর এবং নারীরা ৭৯ বছর বাঁচে। তাদের বেশিরভাগ মৃত্যুর প্রধান কারণ হল হৃদরোগ এবং ফুসফুসে ক্যান্সার। যা ধূমপান এবং এলকোহল গ্রহণের ফলে হয়ে থাকে।

ইংল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য অফিসার অধ্যাপক জন নিউটন বলেন, ইংল্যান্ডে আমরা কোটি কোটি মানুষ বাস করি, যারা পৃথিবীর যেকোন উন্নত দেশের মতো স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকি। সারাদেশের মানুষের জন্য একই ধরণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে না পারার কোন কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশের মানুষের জন্য একইরকম স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা কে বা কোথায় থাকে সেটা বিবেচনার বিষয় নয়।






মন্তব্য চালু নেই