মেইন ম্যেনু

গর্ভধারণে সমস্যা এড়ানোর চাবিকাঠি

পড়াশুনা, ক্যারিয়ার, দেরিতে বিয়ে, বিয়ের পর বাচ্চা নিতে দেরি করা ইত্যাদি কারণে নারীদের কাঙ্ক্ষিত সময়ে গর্ভধারণ এখন জটিল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতো সব সমস্যার কারণে নারীর শরীরে বেশ কিছু সমস্যাও বাসা বেধে যায়। আর তাই নারীরা ইচ্ছা করলেই সহজে মা হতে পারেন না। অথচ ডাক্তারি পরামর্শে রয়েছে গর্ভধারণে সমস্যা এড়ানোর কিছু সহজ সমাধান। আসুন জেনে নেয়া যাক।

– গর্ভধারণ করতে গেলে অভুলেটিং পিরিয়ডে (পিরিয়ড শুরু হওয়ার ১৪ দিন পরে ও পরের মাসের পিরিয়ড হওয়ার ১৪ দিন আগের সময়) মিলিত হওয়ার জন্য চিকিৎসা শাস্ত্রে পরামর্শ রয়েছে। এই সময় পরিণত ডিম্বাণুগুলো ওভারি বা ভ্রূণকোষ থেকে বেরিয়ে আসে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মাসের একটি দিন নারীদের অভুলেশন হয়। সেদিন সবচেয়ে পরিণত ডিম্বাণুটি বেরিয়ে আসে। তখনই নারীরা গর্ভ ধারনের জন্য সবচেয়ে উর্বর হয়ে ওঠে। শুক্রাণুর সঙ্গে মিশে গিয়ে গর্ভধারণ করতে সাহায্য করে।

– উপযুক্ত সময়ে মা হতে চাইলে সুষম খাবার খেতে হবে। এতে হরমোনের মাত্রা ঠিক থাকে। এই সময় ফ্যাট ও গ্লুকোজ জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে হবে।

– বেশি পরিমাণে কমলালেবু ও গাজর খান। এই সবজিগুলো বেশি মাত্রায় ফিমেল সেক্স হরমোন তৈরি করে অভুলেশনে সাহায্য করে।

– সন্তান ধারনের সক্ষমতা ধরে রাখতে শারীরিক ওজনের লাগাম টেনে ধরতে হবে। কোনোমতেই তা বাড়ানো চলবে না। ওজন বেড়ে গেলে অন্যান্য সমস্যার সঙ্গে এতে ঋতু শ্রাবের অনিয়ম দেখা দেবে। হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হবে। সহজে গর্ভধারণে বাধা আসবে।

– ক্যাফেইন আছে এমন খাবারকে না বলতে হবে একেবারে। ধূমপাণসহ অন্যান্য নেশা থেকেও দূরে রাখতে হবে নিজেকে। এগুলো আপনার স্বাস্থ্যের নিয়মিত পরিক্রমা নষ্ট করে দেয়। দেখা দেয় নানা ধরনের সমস্যা।

– অনেক সময় বায়োলজিক্যাল কারণেও গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।






মন্তব্য চালু নেই