মেইন ম্যেনু

গর্ভাবস্থায় মর্নিং সিকনেস দূর করুন সহজ ৫টি ঘরোয়া উপায়ে

প্রতিটি মহিলার জন্য গর্ভধারণ আশীর্বাদ স্বরূপ। তবে এই সময়টাতে একজন মহিলাকে পার করতে হয় নানা শারীরিক মানসিক কষ্ট এবং মর্নিং সিকনেস এর মধ্যে অন্যতম। দশজন গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে আটজন মহিলা মর্নিং সিকনেস সমস্যায় ভুগে থাকেন। সাধারণত গর্ভধারণের ষষ্ঠ সপ্তাহ থেকে এই মর্নিং সিকনেস শুরু হয়ে থাকে। অষ্টম এবং নবম সপ্তাহে এটি মারাত্নক আকার ধারণ করে। ঘুম থেকে উঠার পর বমিভাব হওয়া, মাথা ঘোরানো, বুক জ্বালাপোড়া করা, কম প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের রং পরিবর্তন, বমির সাথে রক্ত বের হওয়া ইত্যাদি সাধারণত মর্নিং সিকনেসের লক্ষণ। অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হয় মর্নিং সিকনেস দূর করার জন্য। কিছু ঘরোয়া উপায়ে দূর করা সম্ভব এই মর্নিং সিকনেস।

১। লেবুর গন্ধ
ইস্ট্রোজন নামক হরমোনের কারণে আমাদের ঘ্রাণ প্রক্রিয়া প্রভাবিত হয়। এই হরমোনের মাত্রা বেশি হলে বিভিন্ন খাবারে গন্ধ অনুভূত হয়ে থাকে। লেবুর গন্ধ শুঁকলে এই হরমোন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

২। শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখুন
শরীরে আর্দ্রতার অভাবে অনেক সময় মর্নিং সিকনেস দেখা দিয়ে থাকে। গর্ভকালীন সময় প্রচুর পরিমাণ পানি এবং ফলের রস (ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল) অনেকটা মর্নিং সিকনেস কমাতে সাহায্য করে থাকে। কমলার রস আপনার মর্নিঙ সিকনেস কাটাতে সাহায্য করে। প্রচুর পরিমাণে কমলার রস পান করুন।

৩। অল্প পরিমাণে বার বার খাওয়া
পেট খালি থাকা মর্নিং সিকনেস আরও বেশি বাড়িয়ে দিয়ে থাকে। অল্প পরিমাণে বার বার খান। এটি আপনার শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ রাখে। যা সারাদিন কাজের শক্তি দিয়ে থাকে।

৪। আদা
গর্ভকালীন অনেকগুলো শারীরিক সমস্যার সমধান করে থাকে আদা। এটি শুধু বমি বমিভাব দূর করে না, পেটের সমস্যাও দূর করতে বেশ কার্যকর। সকালে এক কাপ আদা চা পান মর্নিং সিকনেস থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

৫। কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন
কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকুন। এই ছোট কাজটি আপনার মর্নিং সিকনেস কাটিয়ে তুলতে সাহায্য করবে। অনেক চিকিৎসক এবং মায়েরা এই কাজটি করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

মর্নিং সিকনেস কাটাতে কিছুক্ষণ গল্প করতে পারেন। এটি আপনার মনকে অন্যদিকে ধাবিত করবে,যা আপনার অসুস্থতাটা কমাতে সাহায্য করবে।






মন্তব্য চালু নেই