মেইন ম্যেনু

গাবতলি হাটে সবার নজরে হরিণ ছাপের গরু!

কোরবানি উপলক্ষে ঢাকার সবচেয়ে বড় স্থায়ী পশুর হাট গাবতলিতে এখনো আসতে শুরু করেনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কোরবানির পশু। তবে ঢাকার আশপাশের খামারিরা এরই মধ্যে তাদের খামারের পশু আনতে শুরু করেছেন এই হাটে।

এইসব পশুর মধ্যে দেশি জাতের গরু-মহিষ ছাড়াও আছে নানা জাতের ছাগল, ভারতীয় সিন্ধি ও রাজস্থানের বড় শিংয়ের গরু, নেপালি হরিনা জাতের গরু, ভুটানের ভুটিয়া, পাকিস্তানি দুম্বা, মরুভূমির বাহন বলে খ্যাত রাজস্থানি উট, কাশ্মিরী ভেড়া। তবে এতোকিছুর ভিড়ে হাটের মধ্যমণি হয়ে আছে নেপালি হরিণা গরু। অবিকল চিত্রা হরিণের মতো দেখতে এই গরুটি নজর কাড়ছে সবার।

গরু ব্যবসায়ী মানিকগঞ্জের বাগবাড়িয়ার বাসিন্দা জয় মাহমুদ জানান, এই গরুটির বয়স চার বছর। গত বছরই মোহাম্মদপুরের খামারি ইমরান হোসেন এই গরুটি লালমনিরহাটের এক গরু ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কিনে নেন। তিনি তার খামারে এক বছর লালন পালনের পর কোরবানি উপলক্ষে এবার হাটে এনেছেন। এরই মধ্যে প্রতিদিনই গরুটি দেখতে প্রচুর দর্শনার্থী হাটে আসছেন।

তবে এখনই এই হরিণা বিক্রিতে রাজী হচ্ছেন না খামারমালিক ইমরান।

জয় জানান, অবিকল হরিণের মতো দেখতে মাঝারি সাইজের এই গরুটির দাম এখনো হাঁকানো না হলেও উৎসাহী ক্রেতারা নিজে থেকেই দেড় লাখ থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলছেন।
তিনি বলেন, এক সময় নেপাল থেকে হরহামেশাই এই জাতের গরু নিয়ে আসতেন পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামের গরু ব্যবসায়ীরা। কিন্তু বর্তমানে ভারতীয় সীমান্তে গরু পারাপার বন্ধ থাকায় এ জাতের গরু কম দেখা যায়।

গাবতলি হাটে গিয়ে দেখা যায়, চিত্রা হরিণের মতো দেখতে মাঝারি সাইজের এই গরুটি সারা শরীরই লাল রংয়ের মধ্যে গোলগোল সাদা ছাপে ভরা। ছিমছাম শরীরে পেটের দিকটা চাপা ও মাথার সাইজ কিছুটা লম্বাটে ও ছোট।






মন্তব্য চালু নেই