মেইন ম্যেনু

গুরুদাসপুরে ভোটকেন্দ্র দখল ও সংঘর্ষে আ.লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা

নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের গুরুদাসপুরে ভোটকেন্দ্র ও মোটরসাইকেল ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগ মনোনীত ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ম্যাজিষ্ট্রেট চারজনকে আটক করেছে। তবে কোন কেন্দ্রেই ভোট স্থগিতের ঘটনা ঘটেনি।

প্রত্যক্ষদর্শি ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর লক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে আ.লীগ মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকদের সাথে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী শওকত রানার (ঘোড়া) সমর্থকদের সংঘর্ষ বাধে। এতে বিদ্রোহী প্রার্থীর দুইটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে প্রতিপক্ষ। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রায় আধাঘন্টা ভোট নেওয়া বন্ধ থাকে বলে ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নুরুন্নবী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, ঘটনার পর পুলিশ-বিজিবি নিয়োগ করে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।

উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের নওপাড়া কেন্দ্রে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু জাফর মিয়ার সমর্থকরা দুপুর ১২টার দিকে ভোটকেন্দ্রে ঢুকে ব্যালোট পেপার ছিনতাই করে সিল মারতে থাকে। পরে দলের প্রার্থী আলাউদ্দিন ভুট্রর সমর্থক ও পুলিশ গিয়ে তাদের বিতারিত করে। ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২০-২৫টি ব্যালোটে (১৪৭-১৯৫) সিল মারলেও তা বাক্সে ঢুকেনি। সেগুলো বাতিল করা হয়েছে।

উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের সিধুলি ভোট কেন্দ্রে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মেহেদী হাসানকে ধাওয়া করে দলমনোনীত প্রার্থী আবদুল মতিনের সমর্থকরা। এসময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিদ্রোহী প্রার্থী মেহেদী হাসান অভিযোগ করেন- দলীয় প্রার্থী সকলকে ম্যানেজ করে যথেচ্ছাভাবে ভোট কেন্দ্র দখল করেছেন।

অন্যদিকে উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল বারী অভিযোগ করেন, দলীয় প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানের সমর্থকরা রানীগ্রাম-২ ও বিলকাঠোর কেন্দ্র দখল করে সিল মেরেছে। কিন্তু প্রশাসন কোন ব্যবস্থাই নেয়নি।

উপজেলা রিটানিং কর্মকর্তা মাহবুবুল কবির বলেন, তাঁর কাছে কেবল উপজেলার মশিন্দা ও ধারাবারিষা ইউনিয়নের সিধুলি কেন্দ্রের বিষয়ে অভিযোগ এসেছে। তবে সত্যতা পাওয়া যায়নি।






মন্তব্য চালু নেই