মেইন ম্যেনু

গুলশানে জিম্মি ঘটনায় স্তম্ভিত তারকারা যা বললেন

রাজধানীর গুলশানে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলা ও প্রাণহানির ঘটনায় সারা দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন। উদ্বিগ্ন সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষও। ধর্মের নামে মানুষ হত্যা মানতে পারছেন না কেউই। শোক-আতঙ্কে স্তম্ভিত তারা।

সারা রাত জিম্মি দেশি-বিদেশি নাগরিকদের নিরাপদ মুক্তির প্রতীক্ষায় রাত কেটেছে তাদের। কিন্তু ফল মেলেনি। হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২০ জন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে শোকের ঢেউ। ফেসবুক থেকে পাওয়া কিছু তারকার প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হলো আওয়ার নিউজ বিডি’র পাঠকের জন্য অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘রমজান মাস। জুমাতুল বিদার দিন। আল্লাহর নাম মুখে নিয়ে নিরস্ত্র মানুষকে জিম্মি করে মানুষ খুন করে কোন পুণ্য হচ্ছে? ধর্মের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নাই। এটা সন্ত্রাসী কর্মকা-।’ সবার জন্য দোয়া কামনা করেন এই অভিনেত্রী।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের জন্য একটি দুঃখের দিন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যত দ্রুত সম্ভব বন্দিদের নিরাপদে উদ্ধার করবেন। অভিনেত্রী শাওন লেখেন, ‘পরম করুণাময় তোমার কাছে করুণা ভিক্ষা চাই।’ পরিচালক রেদওয়ান রনির পোস্ট করেছেন, ‘আমি খুব আশাবাদী মানুষ। যদিও কাল থেকে নানান হতাশা আমাকে গ্রাস করেছিল, তবে আজ একটু একটু করে মনোবল জোগানোর চেষ্টা করছি।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আইএস শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, সারা পৃথিবীর সমস্যা। আমাদের নিজের দেশ নিয়ে এত হীনম্মন্যতার কিছু নাই। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করে এই তথ্যটা জোর গলায় সারা পৃথিবীকে জানানো প্রয়োজন । তবে দেশে আইএস নাই বলে চোখ বন্ধ করে থাকারও আমি পক্ষপাতী নই। যত তাড়াতাড়ি বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলা যায়, ততই মঙ্গল।’

অভিনেত্রী মম লিখেছেন, ‘আজ যারা জিম্মি, তাদের সবার নিরাপদ মুক্তির অপেক্ষায় জেগে আছি, আল্লাহ সহায় হোন।

এদিকে, উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলনে ওপার বাংলার ছবি ‘রাজকাহিনী’তে অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিন দিনের এই সম্মেলনের প্রথম দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় জয়ার হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুক্তরাষ্ট্রের নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত অরুণ সিং। এর আয়োজন করে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের সংগঠন কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল নর্থ আমেরিকা। পুরষ্কারপ্রাপ্তির পর জয়া বলেন, পুরস্কার প্রাপ্তি অবশ্যই আনন্দের, কিন্তু ঢাকায় জিম্মি ঘটনার খবর শুনে মনটা ভালো নেই।’ জয়া জানান, যে রেস্তোরাঁয় হামলা হয়েছে সেটি তার ছোট বোনের ছিলো। কিছুদিন আগে এর মালিকানা হস্তান্তর হয়। জয়া আরও বলেন, ‘আমার সবসময় গর্ব হয়, আমি বাংলাদেশের শিল্পী। কিন্তু আমার প্রিয় দেশ ভালো না থাকলে কষ্ট পাই।






মন্তব্য চালু নেই