মেইন ম্যেনু

গুলশানে নিহত ইতালীয়দের শরীরে ‘নির্যাতনের চিহ্ন’

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে আটকা পড়া বিদেশি নাগরিকদের হত্যা করার আগে কয়েকজনকে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে ইতালিতে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

এক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহতম সেই জঙ্গি হামলার ঘটনায় নিহত হন ২০ জন, যাদের মধ্যে নয়জনই ছিলেন ইতালির নাগরিক।

তাদের মধ্যে সাতজনই তৈরি পোশাকের ব্যবসায় ছিলেন, বাংলাদেশে এসেছিলেন ব্যবসার কাজেই। গত মঙ্গলবার ওই নয়জনের মরদেহ ইতালিতে পৌঁছানোর পর দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত হয়।

সে দেশের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের গায়ে ছুরি দিয়ে পোচ দেওয়া হয়েছে, এতে তাদের মৃত্যু হয়েছে সময় নিয়ে। কারও কারও লাশ ছিল ক্ষতবিক্ষত।

# নিহত নয় ইতালীয়: নাদিয়া বেনেদিত্তো, ভিনসেনজো দ আলেস্ত্রো, ক্লদিও মারিয়া দান্তোনা, সিমোনা মন্টি, মারিয়া রিবোলি, আডেলে পুগলিসি, ক্লদিও চাপেলি, ক্রিস্টিয়ান রোসিস ও মারকো তোনডাট।

# এদের মধ্যে ভিনসেনজো দ আলেস্ত্রো এবং মারিয়া রিবোলি বাদে বাকিরা তৈরি পোশাক শিল্পে জড়িত ছিলেন।

# নিহতদের মধ্যে ইতালির নয়জন ছাড়াও জাপানের সাতজন,  ভারতের একজন এবং তিনজন বাংলাদেশি।

একদল অস্ত্রধারী তরুণ ১ জুলাই রাতে গুলশান ২ নম্বরের ওই ক্যাফেতে হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশি অতিথিদের জিম্মি করে। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর কমান্ডো অভিযান চালিয়ে ওই রেস্তোরাঁর নিয়ন্ত্রণ নেয় সশস্ত্রবাহিনী। ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ২০ জনের লাশ পাওয়া যায় ভেতরে।

হামলার পর রাতেই আইএস এর দায় স্বীকার করে বলে সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ খবর দেয়। নিহত জিম্মিদের কয়েকজনের রক্তাক্ত ছবিও আইএস ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়।

নিহতদের সবাইকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হলেও ঢাকায় ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা বলেন, নিহত বিদেশিদের বেশিরভাগের মৃত্যু হয় ধারাল অস্ত্রের আঘাতে।

ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক দলের প্রধান ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সোহেল মাহমুদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, নিহত বিদেশিদের মধ্যে সাতজনের শরীরে আটটি বুলেট পাওয়া গেছে। তাদের মাথা ও ঘাড়ে কোপের চিহ্নও ছিল।






মন্তব্য চালু নেই