মেইন ম্যেনু

গুলশান রেস্টুরেন্টে যে নারীর শরীরে জঙ্গিদের ৪০টি কোপ

রাজধানীর হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে হত্যাকাণ্ডে জড়িত তরুণ জঙ্গিরা জিম্মিদের ঘাড়ে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ময়নাতদন্তকারী ডা. সোহেল মাহমুদ এ তথ্য জানান।

৫ জন জঙ্গির পক্ষে ২০ জন মানুষকে এভাবে খুন করা স্বাভাবিক নয়। খুনের পর কিছু মৃতদেহকে তারা বিকৃত করেছে বলে জানান তিনি।

তিনি জানান, ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী ৫ জঙ্গি কোনো বিশেষ ধরনের ড্রাগ আসক্ত ছিল কি-না তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য তাদের ভিসেরা ঢাকার রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হবে।

হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জিম্মিদের ৭ জনকে পেছন থেকে ঘাড়ে গুলি করা হয়। তাদের মধ্যে ৪ জন ইতালির নাগরিক, ২ জন জাপানের ও ১ জন ভারতের নাগরিক তারিশি জৈন।

তারিশিকে গুলি করা ছাড়াও কোপানো হয়েছে। তার দুই হাতসহ সারা দেহে চল্লিশটির মতো কোপ ও ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

নিহত ব্যক্তিদের সবার মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের ৪ জন চিকিৎসক ও তাদের ৫ জন সহকারী।

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ৩ জুলাই সকাল ১০টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত ময়নাতদন্ত করেন তারা।

গত বছরের নভেম্বরে ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সিরিয়া ও ইরাকভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের যোদ্ধারা ক্যাপটাগন নামের একটি ওষুধ সেবন করে।

এ কারণে এই ওষুধটি ‘আইএসআইএস ড্রাগ’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। ক্যাপটাগন সেবনের কারণে আইএসের যোদ্ধারা দিনের পর দিন জেগে থাকে এবং ঠাণ্ডা মাথায় একের পর এক মানুষ খুন করতে পারে।

ক্যাপটাগন ওষুধ হচ্ছে অ্যামফেটামিন গোত্রের। এটি যারা সেবন করে তাদের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ে। এর প্রভাবে তারা অন্য কিছু আর চিন্তা করতে পারে না। ক্যাপটাগন-জাতীয় ওষুধ এ দেশে নেই। কেবল মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশে এটি পাওয়া যায়।






মন্তব্য চালু নেই