মেইন ম্যেনু

গুলশান হামলা নিয়ে যা লিখলো ইতালীর মিডিয়া

শুক্রবার ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলা বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের পরস্পরকে দোষারোপের রাজনীতির ফল বলে অভিহিত করছে ইতালির গণমাধ্যম।
গত শুক্রবার সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের মধ্যে ৯ জনই ইতালির নাগরিক। ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে। খবর বিবিসির।
এরা হচ্ছেন—ক্রিশ্চিয়ান রসি, মার্কো টনডাট, নাদিয়া বেনেডেট্টি, আডেলে পাগলিসি, সিমোনা মন্টি, ক্লডিয়া মারিয়া ডি’অ্যান্টোনা, ভিনসেনযো ডি’অ্যালেস্ট্রো, মারিয়া রিভলি এবং ক্লডিও চ্যাপেল্লি।
ইতালির ভেনিসে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাংবাদিক পলাশ রহমান জানাচ্ছেন, গতরাতে ইউরো ২০১৬ টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে জার্মানির সাথে ইতালি খেলছিল বলে সাধারণ জনগণের মধ্যে ঢাকার এই হামলার ঘটনা নিয়ে খুব বেশি আলোচনা ছিল না।
ফ্রান্সের বোর্দোতে এই ম্যাচটি শুরু হওয়ার আগে ইতালির খেলোয়াড়রা কিছুক্ষণ নীরব থেকে নিহতদের স্মরণ করেন। তাদের হাতে ছিল কালো ফিতে বাঁধা।
দেশটির গণমাধ্যমগুলো, বিশেষ করে টেলিভিশনগুলোতে শুক্রবার রাত থেকে বেশির ভাগ সংবাদ ও আলোচনা অনুষ্ঠানই ছিল ঢাকার সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে।
ইতালির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন রাই নিউজের সংবাদ বিশ্লেষণে এই হামলার জন্য বাংলাদেশের দুই প্রধান দলকে সরাসরি দায়ী করা হয়েছে।
এতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডসমূহের ধারাবাহিকতার উল্লেখ করে বলা, হয়েছে দোষারোপের রাজনীতিই গুলশানের এই হামলার রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে।
একই রকম বক্তব্য এসেছে স্কাই নিউজের সংবাদ বিশ্লেষণেও।
মি. রহমান বলছিলেন, তিনি স্কাই নিউজের একটি আলোচনা অনুষ্ঠান দেখছিলেন যেখানে বক্তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘একনায়ক’ এবং বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়াকে ‘ইসলামপন্থীদের নেতা’ হিসেবে বর্ণনা করছিলেন।
ইতালির নাগরিকদের প্রকাশিত পরিচয় অনুযায়ী, এদের মধ্যে একজন তেত্রিশ বছর বয়সী মহিলা গত দেড় বছর ধরে কর্মসূত্রে ঢাকায় রয়েছেন।
বায়ান্ন বছর বয়সী অপর এক মহিলা টেক্সটাইল মিলে কাজ করতেন।
আর সাতচল্লিশ বছর বয়স্ক একজন ব্যবসায়ী রয়েছেন। তিনি তিন বছর বয়সী জমজ সন্তানের পিতা।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই