মেইন ম্যেনু

গুলশান হামলা : বোমা প্রস্তুতকারক চিহিৃত

গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় হামলার ঘটনায় বোমা প্রস্তুতকারককে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তার নাম সোহেল মাহফুজ। তিনি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) থেকে নব্য জেএমবিতে যোগ দিয়েছেন। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ওই হামলার বোমা প্রস্তুতকারক ছিলেন সোহেল। সে নব্য জেএমবির একজন সক্রিয় সদস্য।

তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’

মনিরুল ইসলাম বলেন,‘হামলার মূল সমন্বয়ক তামিম চৌধুরী ও যোগাযোগ সমন্বয়ক তাওসিফ হোসেন নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অভিযানে নিহত হয়েছেন। হামলার অপারেশনাল কমান্ডার ছিল নুরুল ইসলাম মারজান। পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জোনায়েদ খান, খালেদ ও মানিক। এ ছাড়া নব্য জেএমবি নেতা রাজিব ওরফে রাজিব গান্ধী গুলশানে হামলা চালাতে দুজনকে নিয়োগ দিয়ে তামিম চৌধুরীর কাছে পাঠিয়েছিলেন। তাদের ধরতেও অভিযান চলছে।’

প্রসঙ্গত, গত ১ জুলাই রাতে কূটনৈতিক এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা করে এবং দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করেন। এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গুলি ও বোমা হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন খান নিহত হন। অভিযানের আগে ও পরে ৩২ জনকে উদ্ধার করা হয়। পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে ছয় হামলাকারী নিহত হন।

ওই ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা, জাপানি, ইতালি, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকানসহ ১৮ বিদেশি ও দুই বাংলাদেশি এবং ছয় জঙ্গিসহ ২৮ জন নিহত হন।

গত ৪ জুলাই নিহত পাঁচ জঙ্গিসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে গুলশান থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।






মন্তব্য চালু নেই