মেইন ম্যেনু

গেটাফের জালে বার্সার আধ ডজন গোল

জয়রথ ছুটছেই বার্সেলোনার। গেটাফেকে আধ ডজন গোলের বন্যায় ভাসিয়ে লা লিগার টানা এক ডজন জয় পেয়েছে কাতালানরা।

আর সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে অপরাজিত থাকার স্প্যানিশ রেকর্ডরা ৩৭ ম্যাচ পর্যন্ত নিয়ে গেল লুইস এনরিকের দল।

শনিবার ন্যু কাম্পে লুইস সুয়ারেজকে ছাড়াই বার্সার বড় জয়ে জোড়া গোল করেছেন নেইমার। লিওনেল মেসি, মুনির এল হাদ্দাদি ও আরদা তুরান করেছেন একটি করে গোল। অপর গোলটি গেটাফের হুয়ান রদ্রিগেজের আত্মঘাতী।

ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই গেটাফের রদ্রিগেজের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় বার্সা (১-০)। লিডটা দ্বিগুণ হতে পারত তিন মিনিট পরেই। পেনাল্টি পেয়েছিল বার্সা। কিন্তু বার্সার পেনাল্টি-দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়েনি এই ম্যাচেও। পেনাল্টি মিস করেন মেসি।

চলতি মৌসুমে লিগে অষ্টম পেনাল্টি মিস করল বার্সেলোনা। এর মধ্যে মেসিই চারটি। চলতি মৌসুমে লিগে ১৫টি পেনাল্টি থেকে বার্সা গোল করতে পেরেছে মাত্র ৭টি।

ব্যবধান দ্বিগুণ করতে অবশ্য বেশি সময় লাগেনি বার্সার। ১৯ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড মুনির।

৩২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করে ফেলেন নেইমার। এই গোলেও অবদান মেসির। বক্সের ভেতর আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ডের বাড়ানো বল থেকেই পা ছুঁয়ে গোলটি করেন ব্রাজিল অধিনায়ক।

পরপর দুই গোলে অবদান রাখা মেসি নিজেই ৪০ মিনিটে গোল করে প্রথমার্ধেই বার্সেলোনাকে ৪-০ গোলে এগিয়ে দেন। ডি বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন পাঁচবারের ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়।

বিরতির পরও ম্যাচের চিত্র একই। একের পর এক আক্রমণ করে গাটাফেকে কোণঠাসা করে ফেলেন বার্সেলোনার খেলোয়াড়েরা। ৫১ থেকে ৫৭, ছয় মিনিটের মধ্যে আরো দুই গোল করে স্কোরলাইন ৬-০ করে ফেলে স্বাগতিকরা।

প্রথমে মেসির পাস থেকে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন নেইমার। দারুণ এক ওভারহেড কিকে পরের গোলটি করেন এ মৌসুমেই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ থেকে বার্সার যোগ দেওয়া আরদা তুরান। বার্সার বড় জয়ও নিশ্চিত হয়ে যায় এখানেই।

এই জয়ে লা লিগা শিরোপা জয়ের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বার্সেলোনা। ২৯ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৭৫ পয়েন্ট। ২৮ ম্যাচে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ৬৪ আর রিয়াল মাদ্রিদের ৬০ পয়েন্ট।






মন্তব্য চালু নেই