মেইন ম্যেনু

গোপন মিলনে ছড়ায় ক্যান্সার!

আমরা অনেকেই জানি ঘনিষ্ঠ মেলামেশায় কিছু রোগ ছড়ায়, কিন্তু ক্যান্সার মিলনে ছড়ায় এ তথ্য জানেন কি?

গোপন মিলনের মাধ্যমে একজনের থেকে আরেক জনের শরীরে হিউম্যান পেপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) ছড়ায়। এ ভাইরাস ক্যান্সারের আশংকা বাড়ায়।

মুখের মাধ্যমে যৌনতার কারণে হিউম্যান পেপিললোমা ভাইরাস বা এইচপিভি ভাইরাস জন্ম নেয়। এইচপিভি ভাইরাস মুখ, গলা ও শরীরের অন্যান্য সংবেদনশীল অংশে ক্যান্সারের জন্ম দেয়।

গবেষকরা যৌনতাকেও ক্যান্সারের কারণ হিসেবে দায়ী করছেন।

তাদের মতে, এইচপিভি-১৬ ভাইরাসের কারণে ওরফারিনজেল টিউমার হয়। এর সংক্রমণে গলার মধ্যে, হাতের তালু ও জিহ্বায় টিউমার হয়। এ ভাইরাস ত্বক ও কোষ ঝিল্লিতে আক্রমণ করে। ধীরে ধীরে তা গলা, মুখ, পায়ুপথ ও গর্ভাশয়সহ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এইচপিভি যখন সরাসরি ক্যান্সারের কারণ না হয়, তখন এরা কোষগুলোকে পরিবর্তন করে ফেলে। পরিবর্তিত কোষই পরে ক্যান্সারের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সঙ্গীর সঙ্গে একান্ত মিলনে যেসব ক্যান্সার ছড়ায় তা নিম্নে আলোচনা করা হল :

পায়ু পথে ক্যান্সার

গবেষকদের মতে, হিউম্যান আব ভাইরাস (HPV) শারীরিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়ায়। এই ক্যান্সারের উপসর্গ হল: মলদ্বার ব্যথা, রক্তপাত এবং পাসিং মল অসুবিধা হয়। সার্জারি, রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা হয়।

মুখের ক্যান্সার

মিলনে সবচেয়ে বেশী ছড়ায় মুখের ক্যান্সার। এ ক্যানসারে খাদ্য গিলতে কষ্ট হয় ও গলার ক্যানসারে ব্যথা হতে পারে। আরও উপসর্গ আছে যেমন : ক্রমাগত মুখের আলসার, হঠাৎ ওজন হ্রাস এবং গলদাহ হয়। সার্জারি বা কেমোথেরাপির মাধ্যমে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা হয়।

জরায়ুর ক্যান্সার

হিউম্যান পেপিলোমা ভাইরাসের (এইচপিভি) কারণে জরায়ুর ছড়ায়।এতে জরায়ুর মধ্যে তীব্র যন্ত্রণা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এর কোনও লক্ষণ নেই। নির্দিষ্ট চিকিৎসা ও পরীক্ষার মাধ্যমে তা শনাক্ত করা হয়। তবে এ ক্যানসারেও রক্তক্ষরণ হতে পারে।

পেনিস ক্যান্সার

গোপন মিলনে পুরুষের পেনিস ক্যান্সার হওয়ার আশংকা থাকে। এ ক্যান্সারের উপসর্গ হল : পেনিসে লালভাব, বেদনা, ফোলা বা ডেলা বাধা। পেনিস ক্যাসারে রক্তপাতও হতে পারে।

যোনি ক্যান্সার

একান্ত মিলনের কারণে ম্যালিগন্যান্ট কোষ (ক্যান্সার কোষ) নারী প্রজনন এলাকায় পৌঁছে যোনি ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। রক্তপাত এ ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।

সৃষ্টি থাকলে ধ্বংস থাকবে, জীবন থাকলে মৃত্যু এটাই চরম সত্য, তরপরও মেনে নিতে কষ্ট হয়। তাই বলে বসে থাকলে চলবে না। ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি ভ্যাকসিন নেয়া যেতে পারে। একটি টিকা সব ধরনের রোধ করতে সক্ষম নাও হতে পারে, তবে মুখের ক্যান্সার এবং পায়ুসংক্রান্ত ক্যান্সার এতে হ্রাস পেতে পারে।






মন্তব্য চালু নেই