মেইন ম্যেনু

গোপন রহস্য ফাঁস, মৃত ব্যক্তিকেও বাঁচিয়ে রাখেন যারা!

তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে সত্‍‌কার করা হয় না। কারণ মৃত্যুতেই জীবন শেষ, এ ধারণায় ওঁদের বিশ্বাস নেই। বরং ওরা মনে করেন, ওই ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাই তাকে পাশে শুইয়েই চলে সেবা-শুশ্রূষা। মৃতদেহকে খাওয়ানো, কফিন থেকে দেহ বের করে এনে চলে আড্ডা। এ গোপন রহস্য ফাঁস হলো এবার। এমন ঘটনা চলে ইন্দোনেশিয়ার তোরাজান সম্প্রদায়ের মধ্যে।

এ খবর মনে করিয়ে দেবে রবিনসন স্ট্রিটের পার্থ দে’র কথা। ইন্দোনেশিয়ায় তোরাজান জনজাতির সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ। তাদের বিশ্বাস, মৃত্যুর পর শুরু হয় মানুষের আর একটা জীবন। এজন্য মৃতদেহের সঙ্গে মৃত্যুর পরবর্তী যে অভ্যাস পালন তাদের রীতি তা শুনলে আঁতকে উঠবে বিশ্ববাসী।

মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ পর মৃতদেহের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান পালনের আচার পালন করেন তোরাজান সম্প্রদায়ের মানুষ। আগত পর্যটকদের চা, কফি, স্ন্যাক্স খাওয়ানো, মহিষ মেরে মৃতদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর চলও রয়েছে। এরপর মৃতদেহটিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিছুদিন রাখার পর সেটিকে নিয়ে যাওয়া হয় পূর্বপুরুষের সমাধির বাড়িতে।

সেখানে মৃতের পরিবারের লোকজন কান্নাকাটি করেন। ৫০ জনের মত লোক মিলে বাঁশের খুঁটি তৈরি করেন, সেখানেই শোয়ানো হয় মৃতদেহটিকে। এরপর তাদের মধ্যে শুরু হয় জলের লড়াই।

সবশেষে দ্বিতীয়বার অন্তেষ্ট্যি হয় মৃতদেহের, তোরাজানদের ভাষায় তার নাম মানেনে। সেই সময় কফিনে মৃতদেহের সঙ্গে স্ন্যাক্স ও সিগারেট দিয়ে দেন পরিবারের লোকজন। এই সম্প্রদায়েরই উচ্চশ্রেণির মানুষরা আবার তাদের পরিবারের লোকেদের ওষুধপত্র দিয়ে মৃতদেহটিকে মমি করে বছরের পর বছর রেখে দেন বাড়িতে।






মন্তব্য চালু নেই