মেইন ম্যেনু

গোমাংস ঠেকাতে ভারতে বিরিয়ানি পুলিশ

ভারতে গোমাংস নিয়ে মাতামাতির যেন শেষ নেই। এবার যোগ হয়েছে বিরিয়ানি পুলিশ। বিরিয়ানিতে গরুর মাংস মেশানো হচ্ছে কী না, সেটাই পরীক্ষা করবে তারা। বুধবার এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি বাংলা।

হরিয়ানা রাজ্যের পুলিশকে বিরিয়ানি পরীক্ষার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে থাকবেন একজন সরকারি পশু চিকিৎসকও।

বিজেপি শাসিত এ রাজ্যে গোমাংস নিষিদ্ধ। আইন করে সেখানে গো-সেবা কমিশন আর গরু জবাই বা পাচার রোখার জন্য একটি বিশেষ পুলিশ দলও তৈরি হয়েছে। এবার তাদের ওপরে বাড়তি দায়িত্ব পড়েছে বিরিয়ানি পরীক্ষার।

হরিয়ানার গো-সেবা কমিশনের চেয়ারম্যান ভানি রাম মঙ্গলা গণমাধ্যমকে জানান, বিরিয়ানিতে গরুর মাংস মেশানো হচ্ছে বলে তাদের কাছে মেওয়াট জেলা থেকে প্রচুর অভিযোগ আসছে।

এজন্যই পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বিরিয়ানি পরীক্ষার। সঙ্গে একজন পশু চিকিৎসকও থাকবেন। মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠাবেন তিনি। মেওয়াট জেলাটি মুসলমান-প্রধান এলাকা। এখানকার জনসংখ্যার প্রায় ৭০ ভাগ মুসলমান।

ভারতের রাজধানী দিল্লির থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার অন্তর্গত এই জেলা। মেওয়াটের রাস্তার ধারে বহু জায়গাতেই বিরিয়ানি বিক্রি হয়। মঙ্গলা জানান, ওই সব বিরিয়ানিতেই গো মাংস দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছেন তারা।

বিরিয়ানি থেকে সংগ্রহ করা মাংস হিসারের পশু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। গোমাংস পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে গো মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্বাধীন হরিয়ানা সরকারের মতো গরু জবাই বা গোমাংস খাওয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞার বলবৎ করতে রীতিমতো সরকারি পরিকাঠামো অন্য কোনও রাজ্যে নেই বললেই চলে।

হরিয়ানা গো-সেবা কমিশন ছাড়াও ডিআইজি পদমর্যাদার একজন নারী পুলিশ অফিসারের নেতৃত্বে প্রায় ৩০০ জন পুলিশ কর্মী ছড়িয়ে রয়েছেন গোটা রাজ্যে, যাদের কাজ গরু জবাই বা গরু পাচার বন্ধ করা।

বাংলাদেশে যত গরু পাচার হয় ভারত থেকে, তার একটা বড় অংশই আসে হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলি থেকে।






মন্তব্য চালু নেই