মেইন ম্যেনু

গোলের বন্যা বইয়ে দিলেন মেসি-আগুয়েরোরা

শক্তিমত্তা আর তারকাদ্যুতিতে বলিভিয়ার চেয়ে বিস্তর এগিয়ে আর্জেন্টিনা। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে আছে তারা। আর বলিভিয়ার অবস্থান ৬৭তম। মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানেও দুই দলের পার্থক্য আকাশপাতাল। গত জুনেই প্রীতি ম্যাচে বলিভিয়াকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল আর্জেন্টিনা। শনিবার দুই দলের আরেকটি প্রীতি ম্যাচে তো একরকম গোলের বন্যা বইয়ে দিল জেরার্ডো মার্টিনোর দল। মেসি-আগুয়েরো-লাভেজ্জির জোড়া গোল আর কোরেয়ার একটি গোলে বলিভিয়াকে ৭-০ গোলের বন্যায় ভাসিয়েছে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে বিবিভিএ কম্পাস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় শুরু হয় ম্যাচটি। এদিন ম্যাচের শুরুর একাদশে ছিলেন না আর্জেন্টিনার সেরা তারকা লিওনেল মেসি। তবে মেসিকে ছাড়াই ম্যাচের শুরু থেকে আধিপত্য বিস্তার করে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় আকাশি-নীল জার্সিধারীরা। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে গোলের সূচনা করেন এজেকিয়েল লাভেজ্জি। তার গোলে সহায়তা করেন সার্জিও আগুয়েরো। ডি বক্সের ভেতর দাঁড়ানো লাভেজ্জিকে লম্বা ক্রস দেন আগুয়েরো। বল পেয়ে বলিভিয়ার গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে জড়াতে কোনো ভুল করেননি লাভেজ্জি।

এরপর ৩৪ মিনিটে আর্জেন্টিনার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আগুয়েরো নিজেই। সতীর্থ রবার্তো পেরেইরার সহায়তায় গোলটি করেন ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে আবারও আগুয়েরো-লাভেজ্জির ঝলক। আগুয়েরোর সহায়তায় নিজের জোড়া গোলে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন লাভেজ্জি।

দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ধরে রাখেন মার্টিনোর শিষ্যরা। ৫৯ মিনিটে আগুয়েরোও নিজের জোড়া গোল পূরণ করেন। প্রথমার্ধে লাভেজ্জির দুটি গোলেই সহায়তা করেছিলেন আগুয়েরো। এবার আগুয়েরোর গোলে সহায়তা করে কিছুটা ঋণ শোধ করেন লাভেজ্জি।

বল পায়ে মেসিকে দেখার দর্শকদের যে দীর্ঘ প্রতীক্ষা, তার অবসান ঘটে ম্যাচের ৬৫ মিনিটে। নিকোলাস গাইতানের বদলি হিসেবে মেসিকে মাঠে নামান আর্জেন্টিনার কোচ মার্টিনো। আর মাঠে নেমেই নিজের জাদুকরি নৈপুণ্য দেখান ফুটবলের খুদে জাদুকর খ্যাত মেসি। ৬৫ মিনিটে মাঠে নেমে ৬৭ মিনিটেই গোল করেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড। মিল্টন ক্যাসকোর ক্রস থেকে হেডে বলিভিয়ার জালে বল জড়ান মেসি।

আট মিনিট পরেই নিজের জোড়া গোল পূরণ করেন মেসি, আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায় ৬-০ গোলে। আগুয়েরোর পাস থেকে বল পেয়ে বলিভিয়ার গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে গোলটি করেন চারবারের ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় মেসি। আর নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হওয়ার ছয় মিনিট আগে বলিভিয়ার জালে সপ্তম পেরেক ঠুকে দেন অভিষিক্ত অ্যাঙ্গেল কোরেয়া। ফলে একতরফা ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৭-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আকাশি-নীল জার্সিধারীরা।






মন্তব্য চালু নেই