মেইন ম্যেনু

গোসল করতে নদীতে নেমে পুরুষাঙ্গে গেঁথে গেল বড়শি! অতঃপর লোকটি একি করলো…?

তে পারত অনেক কিছুই। ঈশ্বর সহায় বলে অল্পের উপর দিয়েই ঘটে গেল ব্যাপারটা।

ঘটনাটা জার্মানির। এক ব্যক্তি নগ্ন হয়ে হ্রদে ডুব দিয়েছিলেন। তার পরেই অদ্ভুত এক অনুভূতি হয় তাঁর। ব্যথা অনুভব করতে থাকেন তাঁর গোপন অঙ্গে। বিষয়টা যখন উপলব্ধি করেন, তখন তাঁর থরহরি কম্পমান অবস্থা। পানের থেকে চুন খসলেই তাঁর পুরুষাঙ্গ বিসর্জন হয়ে যেতে পারে। গতিক সুবিধার নয় দেখে সেই ব্যক্তি চিৎকার জুড়ে দেন। তাতে কাজ হয়। এই যাত্রায় বেঁচে যান।

ঘটনাটা কী? খবরের ভিতরকার খবর বলছে অন্য কথা। হার্বার্ট ফেন্ড নামে এক ব্যক্তি দক্ষিণ জার্মানির কাইজারসি হ্রদে নেমেছিলেন স্নান করার জন্য। মাছ ধরার জন্য সেই সময়ে হ্রদের জলে ছিপ ফেলেছেন আরেক ব্যক্তি। সেই সময়তেই ঘটে বিপত্তি। তাঁর ফেলা ছিপেই আটকে যায় হার্বার্টের পুরুষাঙ্গ। প্রথমে বিষয়টা বুঝতেই পারেননি হার্বার্ট। ভেবেছিলেন, হ্রদের জলের নীচে থাকা আগাছায় বুঝি জড়িয়ে গিয়েছে তাঁর পুরুষাঙ্গ। কিন্তু ঘটনাটা যে আদৌ তা নয়।

আসলে পাড়ে বসে থাকা ব্যক্তির ছিপেই জড়িয়ে যায় হার্বার্টের লিঙ্গ। পরিস্থিতি অন্য দিকে যে কোনও সময়ে মোড় নিতে পারে আশঙ্কা করেই ভয়ার্ত চিৎকার জুড়ে দেন হার্বার্ট। পাড়ে বসে থাকা সেই মৎস্যশিকারীর উদ্দেশে বলতে থাকেন, ‘‘ টান দিও না, টান দিও না।’’ টান দিলেই যে ঘটে যাবে ভয়ঙ্কর ঘটনা! তাঁর পরিত্রাহি চিৎকারে কাজ দেয়। মৎস্যশিকারী আর ছিপ ধরে টান লাগাননি। হার্বার্ট কোনওরকমে সাঁতরে ওঠেন পাড়ে।

তার পরেই সাইকেলে উঠে দ্রুত পৌঁছে যান হাসপাতালে। তখনও তাঁর লিঙ্গে যে জড়ানো ছিল ছিপ, তা বলাইবাহুল্য। চিকিৎসক তো হার্বার্টের এহেন রূপ দেখে হেসেই কুটিপাটি। যাই হোক, চিকিৎসক সাক্ষাৎ দেবদূত হয়ে ধরা দেন হার্বার্টের সামনে। তাঁর লিঙ্গে জড়িয়ে থাকা হুকটা সরিয়ে দেন। ক্ষতস্থানও পরিষ্কার করে দেন সেই চিকিৎসক।

ঘটনাটা জানাজানি হয়ে গেলে উপহাসের কারণ হবেন হার্বার্ট। তাই তাঁর নাম গোপন রাখা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই