মেইন ম্যেনু

গ্যালারিতে গন্ডগোল, মাঠে পাথর, নিরাপদ দুরত্বে ক্রিকেটাররা

কিস্তানের ৩১৬ রান তাড়া করতে গিয়ে শ্রীলঙ্কা যখন ধুঁকছে, প্রেমদাসায় পড়ে গেল হুলস্থুল ! ৩৪ ওভারে শ্রীলঙ্কা তখন ৭ উইকেটে ১৫৮। মাঠের মধ্যে উড়ে আসতে লাগল ছোট–বড় পাথরের টুকরো। গ্যালারির দুটো ব্লকেও ব্যাপক ইট ছোঁড়াছুঁড়ি। খেলা গেল থেমে।

পুলিশের অ্যান্টি–রায়ট স্কোয়াডের সদস্যরা লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দিলেন মারুমুখী সমর্থকদের। মুহূর্তে ফাঁকা করে দেওয়া হল স্কোর বোর্ডের পাশে গ্যালারির দুটো ব্লক। ততক্ষণে দুই দলের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আম্পায়াররা তাঁদের পাঠিয়ে দিয়েছেন‍ ড্রেসিংরুমে। গণ্ন্ডগোল ছড়িয়ে গেল স্টেডিয়ামের বাইরেও। উত্তেজিত সমর্থকদের হাতে আক্রান্ত কয়েকটা গাড়ি।

অনেক কষ্টে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনে পুিলস। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ফের শুরু হয় খেলা। ৪১.১ ওভারে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ১৩৫ রানে জিতল পাকিস্তান। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেটে ৩১৬ রান তোলে পাকিস্তান। এই প্রথম একদিনের ক্রিকেটের কোনও ম্যাচে পাকিস্তানের প্রথম ছয় ব্যাটসম্যান ৩৫ বা তার বেশি রান করলেন।

ওপেনিং জুটিতে আহমেদ শেহজাদকে (৪৪) সঙ্গে নিয়ে ৯৩ রান তোলেন অধিনায়ক আজহার আলি (৪৯)। সর্বোচ্চ ৭৭ রান করেছেন ম্যাচের সেরা শরফরাজ আহমেদ। মহম্মদ হাফিজ (৫৪) আউট হয়ে গেলেও অপরাজিত থাকেন শোয়েব মালিক (৪২) ও মহম্মদ রিজওয়ান (৩৫)। মালিঙ্গা ও সচিথ পাথিরানা একটি করে উইকেট পেয়েছেন। রান তাড়া করতে নেমে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলঙ্কা।

একমাত্র থিরিমানে (৫৬) ছাড়া কেউই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি। শ্রীলঙ্কাকে ভাঙলেন ইয়াশির শাহ, নেন ৪ উইকেট। ২টি করে উইকেট আনোয়ার আলি ও এদিনই একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক হওয়া ইমাদ ওয়াসিমের। গণ্ন্ডগোলের জন্য সব শ্রীলঙ্কা সমর্থকের দিকে আঙুল তুলতে চাননি পাকিস্তান অধিনায়ক।

ম্যাচ জিতে মিসবা–উল হকের টুইট, ‘কয়েকজন সমর্থকের বাজে কাজের জন্য আমরা সবাইকে দায়ী করতে পারব না। শ্রীলঙ্কা এবং তাদের সমর্থকদের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে।’ মাহেলা জয়বর্ধনেও বলেছেন, ‘সঠিক স্পিরিট নিয়েই আমাদের ফল মেনে নেওয়া এবং খেলা উপভোগ করা উচিত।’ যারা গণ্ন্ডগোল করেছে, সেই সমর্থকদের সমালোচনা করেছেন‍ মাহেলা।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই