মেইন ম্যেনু

ঘরের সৌন্দর্যে বাহারি ফুলদানি

সুন্দরের প্রতি আকর্ষণ সবার। সুন্দর মনের বহিঃপ্রকাশও ঘটে নিজের ঘরে সৌন্দর্যের আবেশ ছড়িয়ে। তাইতো ঘর সাজাতে সুন্দর কারুকাজের আসবাব থেকে শুরু করে, বাহারি পর্দা, নানান শোপিস, রকমারি লাইটের আলো-আঁধারি খেলা আরও কত আয়োজন। তবে বাহারি ফুলদানি না হলে যেন ঘরের সাজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

ফুলদানির বহুমুখী ব্যবহার ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ। টেবিল থেকে শুরু করে টিভির ওপর, কর্নার টেবিল, বেডসাইট কিংবা শোকেস যেখানেই রাখুন না কেন সুন্দর মানিয়ে যাবে। তাতে সাজিয়ে রাখুন কিছু তাজা ফুল- বেশ হয়ে গেল এক টুকরো বাগান। তবে ফুল দিয়েই সাজাতে হবে এমনটিও নয়, শোপিস হিসেবেও এর আবেদন অনেক।

বাহারি ফুলদানি

মানুষের পরিবর্তনশীল রুচির দিকে খেয়াল রেখে বিক্রেতারা দোকানে বাহারি রঙ আর রকমারি ডিজাইনের পণ্যের সমাহার ঘটিয়ে থাকেন। দেশি ফুলদানির পাশাপাশি চাইনিজ, জাপানিজ, থাই, ইরানি ও ইন্ডিয়ান ফুলদানিও বেশ জায়গা করে নিয়েছে। বাজারে একটু ঘুরলে বাঁশ, কাঠ, বেত, মাটি থেকে শুরু করে সিরামিক, ক্রিস্টাল, কাচ, শক্ত প্লাস্টিক, ফাইবারসহ সব উপাদানের তৈরি ফুলদানি পাবেন। ছোট, মাঝারি কিংবা বড় তিন উচ্চতার ফুলদানিই পাবেন ত্রিভুজ, চৌকোনা, সিলিন্ডার কিংবা ডিম্বাকৃতির। বিক্রেতাদের মতে, সিরামিকে নানা রঙের সমাহার ঘটানো যায় বিধায় এর প্রতি ক্রেতাদের দুর্বলতা সবসময়কার। তবে অনেকেই এখন ফাইবারের দিকে ঝুঁকছেন।

তবে এখন নতুন ধাঁচের ফুলদানির চল এসেছে। এগুলোর কোনটার সঙ্গে ঘড়ি কিংবা পেনহোল্ডার লাগানো, কোনোটা আবার দেওয়ালে ঝুলিয়ে রাখা যায় আবার কোনোটা করে টেবিল ল্যাম্পের কাজ। এমন বহুমুখী বৈশিষ্ট্যই ক্রেতা দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

কোথায় রাখবেন

ঘরের সাজেই যেহেতু ফুলদানির ব্যবহার কেনার সময় তাই আসবাবপত্র ও ঘরের রঙের সঙ্গে মানানসই ফুলদানি বাছাই করুন। ঘরকে কেমন দেখাবে তা নির্ভর করে কোন আকৃতির ফুলদানি কোথায় রাখবেন তার ওপর। আপনার ঘরের প্রবেশপথের দু’পাশে বড় আকারের ফুলদানি রাখুন। ফুলদানিতে ফুলের পাশাপাশি মানিপ্ল্যান্টও সাজাতে পারেন। ঘরের কোণে বড় আকৃতির সিরামিক কিংবা মাটির ফুলদানি রাখুন। তাতে প্লাস্টিকের ফুল কিংবা কাপড়ের ফুল রাখতে পারেন। খাবার টেবিলে জন্য অবশ্যই ছোট কিংবা মাঝারি আকারের ফুলদানি বেছে নিন। নয়তো অন্যপাশের মানুষের চেহারা ঢেকে যেতে পারে। সিরামিক আর ক্রিস্টাল এখানে খুব মানিয়ে যায়। বসার ঘরে ছোট, বড়, মাঝারি যে আকারের ফুলদানিই ব্যবহার করুন না কেন, রঙটা হওয়া চাই সোফা, কুশন কিংবা কার্পেটের সঙ্গে মেলানো। সোফার টেবিলে মাঝারি আকৃতির সিরামিকের ফুলদানিতে ছেড়ে দিতে পারেন তাজা ফুল, পুরো ঘরে ছড়িয়ে যাবে মিষ্টি আবেশ। বাথরুমও সাজাতে পারেন সিঙ্কের সঙ্গে মানানসই ফুলদানিতে। দেয়ালের গ্লাস কর্নারে ছোট ফুলদানিতে মানিপ্ল্যান্ট ঝুলিয়ে দিন। রান্না ঘর বাদ যাবে কেন? এখানেও পাশাপাশি ছোট-বড় আকৃতির ফুলদানি রাখতে পারেন। তবে এমন জায়গায় রাখতে হবে যাতে ধাক্কা লেগে পড়ে না যায়।

দরদাম

বাঁশ, বেত ও কাঠের ফুলদানির দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা। মাটির ফুলদানি পাবেন ৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। প্লাস্টিকের ফুলদানি কিনতে হলে গুনতে হবে ১০০ থেকে ১০০০ টাকা। সিরামিকের বাহারি রঙের ফুলদানির দাম পড়বে ২০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। ক্রিস্টালের ফুলদানির দাম পড়বে ৮০০ থেকে ৬০০০ টাকা। ইরানিগুলো ১০০০ থেকে ৩৫০০ টাকায় কিনতে পাবেন, চাইনিজগুলো কিনতে গেলে গুনতে হবে ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। জাপানি ফুলদানি পাবেন ৬০০ থেকে ৪০০০ টাকার মধ্যে।






মন্তব্য চালু নেই