মেইন ম্যেনু

ঘাটাইলে টিআর কাবিখা হরিলুটের অভিযোগ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় চলতি অর্থবছরে টিআর, কাবিখা এমপি’র বিশেষ কোটায় ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতি, অর্থ-আত্মাসাতের অভিযোগ উঠেছে। আর এই টিআর, কাবিখা’র সিংহভাগই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প অফিসার রুহুল আমিন এবং প্রকল্প সভাপতিদের বিরুদ্ধে। টিআর, কাবিখা কাজ হয়েছে বলে এমন কোন নজির নেই। এ অর্থ বছরে টিআর, কাবিখা ৬ শত টন বরাদ্দ হয়। সাধারণত টিআর বরাদ্দ হয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মন্দির, মসজিদ, মাদ্রাসায়। কিন্তু এ বরাদ্দের ৭০ ভাগ দেয়া হয়েছে এমপি রানার নিজস্ব লোক এবং তার ভাইয়ের নামে করা শহীদ বাপ্পী স্মৃতি সংসদের নামে।
জানা গেছে, প্রকল্পে যাদের নাম দেয়া হয়েছে তাদের বেশির ভাগই এলাকায় বিভিন্ন খারাপ অপকর্মের সাথে জরিত। এ রকম স্থানীয় লোকেরপাড়া ইউনিয়নে বীরসিংহ সদর গোরস্থান নির্মানে ১ টন চাল বরাদ্ধ দেয়া হয়। এ প্রকল্পে সভাপতি কোরবান আলী। অথচ কাজ করা তো দুরের কথা এ গোরস্থানের সাথে তিনি সংশ্লিষ্টই নন। ঐ এলাকায় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি এ গ্রামের বাসিন্দা নন। তিনি পার্শ্ববর্তী গ্রামের লোক এবং ডাকাত ও জুয়াড়ু নামে পরিচিত। একই ইউনিয়নে দশানি বকশিয়া সদর গোরস্থানে টিআর, প্রকল্পে লতিফ নামে যে ব্যক্তিকে সভাপতি করা হয়েছে এ নামে ঐ এলাকায় কোন লোকই নেই। ঐ গোরস্থানের সাথে বাড়ি শুকুর মামুদ (৬৫) জানান, এ গোরস্থানে এ যাবৎ কোন সরকারী অনুদান নেয়া হয়নি। অথচ ঐ গোরস্থানের নামে এমপি অনুসারি লতিফ টিআর নিয়ে আত্মসাত করেছেন। এভাবে প্রত্যেকটি প্রকল্প ঘুরে সরজমিনে একই চিত্র পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছমা আরা বেগম জানান, আমি অল্প ক’দিন আগে এখানকার দায়িত্ব পেয়েছি তাই বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে বলতে পারব না। তবে আমি শুনেছি টিআর, কাবিখার সিংহভাগ নিয়ে দূর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু জানান, শহিদ বাপ্পি স্মৃতি সংসদ এর নতুন নতুন কমিটি করে তাদেরকে টিআর দেয়া হয়। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপি’র নিজস্ব লোক দিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি করে তাদের নামে টিআর বরাদ্দ দেয়া হয়। শুনেছি এবার টিআর, কাবিখা পুকুর চুরির মত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায় কর্মকর্তা রুহুল আমীন বলেন, এমপি রানার হাত দিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আমাকে যে ভাবে বলা হয়েছে আমি সে ভাবেই কাজ করেছি। এ বিষয়ে আমার কিছু করার নেই।






মন্তব্য চালু নেই